এই সময়: রাজ্যের স্কুল-হস্টেলগুলির সুষ্ঠু পরিচালনায় প্রশাসনিক ও আর্থিক পুনর্বিন্যাসের স্বার্থে বিভিন্ন জেলার জেলাশাসকদের কাছ থেকে মঙ্গলবার অর্থাৎ আজকের মধ্যে তথ্য-পরিসংখ্যান চাইল বিকাশ ভবন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েই র্যাগিং রুখতে প্রায় ৮০০টি স্কুল-হস্টেলে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আঁটসাঁট করছে সরকার।
এর মধ্যে প্রথম দফায় ১১টি জেলার ৩৫টি স্কুল হস্টেলকে এই কাজের জন্যে বাছাই করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে আলিপুরদুয়ারের ২টি, বাঁকুড়ার ৩টি, দক্ষিণ দিনাজপুরের একটি, ঝাড়গ্রামের ৩টি, মালদার একটি, মুর্শিদাবাদের ২টি, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৯টি, পূর্ব মেদিনীপুরের ৫টি, পুরুলিয়ার একটি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর দিনাজপুরের যথাক্রমে ৭টি ও একটি স্কুল-হস্টেল।
এর মধ্যে প্রথম দফায় ১১টি জেলার ৩৫টি স্কুল হস্টেলকে এই কাজের জন্যে বাছাই করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে আলিপুরদুয়ারের ২টি, বাঁকুড়ার ৩টি, দক্ষিণ দিনাজপুরের একটি, ঝাড়গ্রামের ৩টি, মালদার একটি, মুর্শিদাবাদের ২টি, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৯টি, পূর্ব মেদিনীপুরের ৫টি, পুরুলিয়ার একটি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর দিনাজপুরের যথাক্রমে ৭টি ও একটি স্কুল-হস্টেল।
সোমবার এই ব্যাপারে বিকাশ ভবন থেকে শিক্ষাসচিব ও বিভাগীয় আধিকারিকরা সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকদের সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সও করেন। সংস্কার প্রক্রিয়ায় হস্টেলগুলিতে কাজের পরিবেশের উন্নতিতে ছাত্রাবাসগুলিতে কর্মরতদের বেতনক্রমেরও উন্নতি ঘটানো হচ্ছে। নতুন ব্যবস্থায় প্রায় সাড়ে চোদ্দো হাজার আবাসিক পড়ুয়া উপকৃত হবে।
কর্মীদের বেতন ও অন্য খাতে খরচপত্র বাবদ বরাদ্দ অর্থের অঙ্ক ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৭ লাখ টাকা। এ দিনের ভিডিয়ো কনফারেন্সে বিকাশ ভবন থেকে জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই কাজে যেন অহেতুক দীর্ঘসূত্রতা না হয়।
