কোচবিহারে চলছে দুর্গাপুজোর কার্নিভ্যাল অনুষ্ঠানে। মঞ্চে উপবিষ্ট জেলা প্রশাসনের শীর্ষ স্থানীয় কর্তাব্যক্তি, বিশিষ্টরা। আয়োজকদের তরফে মঞ্চে অতিথিদের বরণ করে নেওয়ার পালা। সেখানেই ঘটল ছন্দপতন। মঞ্চে মন্ত্রী উপস্থিত থাকলেও আগে বরণ করা হল জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারকে। বিষয়টি নিয়ে শুরু গুঞ্জন। কটাক্ষ বিজেপির।

কী ঘটনা ঘটেছে?

কোচবিহার দুর্গাপুজো কার্নিভ্যালে মন্ত্রী উদয়ন গুহ উপস্থিত থাকলেও তার আগে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে বরণ করা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে কোচবিহারে। বৃহস্পতিবার রাতে কার্নিভ্যালর অনুষ্ঠান মঞ্চে ওই ঘটনা ঘটে। গোটা বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী বলে জানিয়েছে তৃণমূলের একাংশ। গোটা ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ বিজেপির।

কী বলছে বিজেপি?

বিজেপির বক্তব্য, তৃণমূল দলে এবং সরকারে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের এখন আর গুরুত্ব নেই! কোচবিহার শহরে দুর্গা পুজোর কার্নিভ্যালে মঞ্চের মাঝের চেয়ারে শোভা পাচ্ছেন জেলা শাসক ও পুলিশ অধিক্ষক। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী ও জেলা সভাধিপতির আগে জেলা শাসক ও পুলিশ অধিক্ষককে বরণ করার চিত্র বলে দিচ্ছে তৃণমূল দল ও সরকার জেলা শাসক ও পুলিশ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

মঞ্চে কী ঘটল?

অনুষ্ঠানের শুরুতে দেখা যায় অতিথিদের সম্বর্ধনা জানানোর সময় মঞ্চে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ থেকে শুরু করে কোচবিহার জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুমিতা বর্মন উপস্থিত থাকার পরেও প্রথমে জেলা শাসককে সংবর্ধনা জানানো হয় । তবে এরপরই মন্ত্রী উদয়ন গুহকে সম্বর্ধনা জানানোর জন্য যখন যাওয়া হয়, সেই সময় তিনি জেলা পুলিশ সুপারের দিকে হাত দেখিয়ে দেন। পরবর্তীতে পুলিশ সুপারকে সম্বর্ধনা জানানো পর আবার মন্ত্রী কে সংবর্ধনা জানানো হয়। রীতিমত এই ঘটনা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এর মধ্যে সেই ভিডিওটি আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি।

Puja Carnival 2023 Time: চলছে রেড রোডে দুর্গাপুজোর কার্নিভ্যাল, কোন রাস্তা বন্ধ-দেখবেন কোথায় জানুন এক ক্লিকেই
তৃণমূল কী বলছে?

বিজেপি বিধায়ক নিখিল রঞ্জন দে বলেন, ‘মঞ্চে একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী ও জেলাপরিষদ এর সভাধিপতি বসে আছে তাদের আগে না জানিয়ে জেলাশাসককে বরণ করাটা ঠিক হয়নি। এর দ্বারাই মনে হয় আমলারাই সরকারটা চালাচ্ছেন।’ গোটা বিষয়টি নিয়ে রাজ্য তৃণমূলের এর মুখপাত্র পার্থপ্রতীম রায় বলেন, ‘কোথাও একটা কোর্ডিনেশনে সমস্যা ছিল যার জন্য এমনটা হয়েছে।’ তবে গোটা বিষয়টি নিয়েই ইতিমধ্যে জেলার রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version