রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককের অসুস্থতার খবরেও তীব্র আক্রমণ শানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সকালে একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট টুইট করে নাম না করে আক্রমণের পর সন্ধেয় পুজোর উদ্বোধনে এসেও ফের শুভেন্দুর নিশানায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, অসুস্থতার নাটক করছেন মন্ত্রী।

অন্যদিকে, রেশন কেলেঙ্কারিতে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী গ্রেফতারির পর বর্তমান খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ ও তৃণমূল রাস্তায় নেমে শনিবার দিনভর বিক্ষোভ দেখায়। এই বিষয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন,’তৃণমূল মানে চোর, রথীন ঘোষও তার বাইরে নয়। রথীন ঘোষের বাড়িতেও কয়েকদিন আগে গিয়েছিল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত সে।’ পাশাপাশি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অসুস্থতা নিয়ে শুভেন্দুবাবু বলেন, কিছু হয়নি ওসব নাটক। মেডিক্যাল রিপোর্টে কিছু নেই। ওঁর ডায়াবেটিস আছে এটা পুরানো রোগ। আর কিছু হয়নি।’

শনিবার রাতে তমলুকের নিমতৌড়িতে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর উদ্বোধনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনই মন্তব্য করেন। এদিন তমলুকের নিমতৌড়ির পাশাপাশি ময়না ও হলদিয়ার একাধিক পুজোর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন করে তিনি এলাকার মানুষকে বলেন, ‘সরকারে থেকে এলাকায় এলাকায় প্রচুর উন্নয়ন করেছি। এখন আর উন্নয়ন চোখে পড়ে না। এলাকার মানুষ উন্নয়নের কথা আমার কাছে জানায়। আমি ক্ষমতায় না থাকলেও উন্নয়ন কিভাবে করতে হয় তা আমার জানা। কাজ করার ইচ্ছা থাকলে কাজ করা যায়। আগে যেমন কাজ করেছি তেমনি আগামীদিনেও কাজ করব। উদ্যোগ গ্রহণ করলে অর্থের অভাব হবে না।’

Jyotipriya Mallick Latest News : জ্যোতিপ্রিয়র গ্রেফতারির প্রতিবাদে জেলা জুড়ে মিছিল তৃণমূলের, পথে নামলেন খাদ্যমন্ত্রীও
এদিন ময়না, তমলুক ও হলদিয়ায় শুভেন্দুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সকালে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অবস্থার প্রতিবাদে রাস্তায় রাস্তায় বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কর্মীরা। জগদ্দল বিধানসভার অন্তর্গত আতপুর রথ মেলার মাঠের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়েছিল আতপুর- জগদ্দল শহর তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অর্জুন সিং।এছাড়াও ছিলেন জগদ্দল টাউন সভাপতি হিমাংশু সরকার, কাউন্সিলর সোমনাথ তালুকদার, প্রবীর বৈদ্য, তৃণমূল নেতা মন্নু সাউ, ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সেখানে দাঁড়িয়ে সাংসদ বলেন, ‘আমাদের দলের পুরনো কর্মী, জেলার সভাপতিকে ইডি গ্রেফতার করেছে। তবে আমাদের দুর্ভাগ্য দোষ প্রমাণিত হওয়ার আগেই মিডিয়ার একাংশ তার ট্রায়াল শুরু করে দিয়েছে। আমরা যখন ১০০ দিনের কাজের ন্যায্য টাকা চেয়ে দিল্লিতে আন্দোলন করেছি তারপরেই কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে আমাদের দলের নেতা কর্মীদের দিয়ে গ্রেফতার করানো হচ্ছে।যা বাংলার মানুষ মেনে নিতে পারছে না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version