শহরে ফের হাওয়ালা যোগ? বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে কলকাতার একাধিক জায়গায় তল্লাশি আয়কর দফতরের। সোমবার সল্টলেক সহ মোট ২২টি জায়গায় তল্লাশি চালায় আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।

কী জানা যাচ্ছে?

সল্টলেকের এ ই ব্লকের একটি বাড়িতে সকাল 6টা থেকে অভিযান চালায় আয়কর দফতর। জানা গিয়েছে, সল্টলেক সহ মোট ২২ জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে। সল্টলেকের এই বাড়িটিতে অভিযান চালায় ১২ জন আধিকারিক এবং 8 জন সিআরপিএফ জওয়ানের একটি দল। সল্টলেকের এ ই 467 নম্বর বাড়িতে, শ্রীশ্রী মোহনানন্দ আশ্রম নামে একটি সংস্থার কার্যালয় রয়েছে। সূত্রের খবর, আয়কর ফাঁকি দেওয়ার পাশাপাশি হাওয়ালার যোগ সূত্রও রয়েছে।

আয়কর দফতরের হানা

উল্লেখ্য, কলকাতায় একাধিক কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্ত চালাচ্ছে একাধিক দুর্নীতির বিষয়ে। এর মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক রেশন দুর্নীতি নিয়েও তদন্ত চালাচ্ছে ইডি ও সিবিআইয়ের টিম। এর মাঝেই বেআইনি আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে তদন্তের কারণে মাঝেমধ্যেই আয়কর দফতরের আধিকারিকরা হানা দেন শহরের বিভিন্ন জায়গায়। সপ্তাহের শুরুর দিনেই ফের আয়কর থানা এবার সল্টলেক সহ বহু জায়গায়।
প্রসঙ্গত, চলতি মাসেই কলকাতা সহ একাধিক জেলায় আয়কর দফতরের আধিকারিকরা তল্লাশি চালান। কলকাতার একটি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি নদিয়া ও শিলিগুড়িতেও আয়কর দফতরের আধিকারিকরা তল্লাশি চালান বলে খবর পাওয়া যায়। বেআইনি আর্থিক লেনদেনের খবরের ভিত্তিতেই তল্লাশি চালানো হয় বলে জানা যায়।

Jyotipriya Mallick News : নথি নিয়ে সিজিওতে জ্যোতিপ্রিয়ের দাদা, বেরিয়ে বললেন, ‘বালু আর ইডি জানে!’
একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির পাশাপাশি, আয়কর দফতরে ফাঁকি দিয়ে আর্থিক লেনদেনের অজস্র খবর পাওয়া গিয়েছে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে। এমনকি, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা মন্ত্রীদের বাড়িতেও আয়কর হানা দিতে দেখা যায়। গত জানুয়ারি মাসেই
তৃণমূল মেয়র পারিষদ আমির উদ্দিন ববির হোটেলে হানা দিয়েছিলেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। পাশাপাশি, সেই সময় মুর্শিদাবাদের সুতির তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের কারখানায় হানা দেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। সামশেরগঞ্জের আনন্দ বিড়ি ফ্যাক্টরি, বিজলি বিড়ি ফ্যাক্টরি, শিব বিড়ি ফ্যাক্টরিতেও হানা দেন তাঁরা।
গোরু পাচার নিয়েও রাজ্যে তদন্ত চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গোরু পাচারের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছিল। গোরু পাচারের ক্ষেত্রেও বিএসএফ কর্তা থেকে কর্মী, স্থানীয় থানার পুলিশের একাংশ, রাজনৈতিক দলের এক শ্রেণির কর্মী নেতা ও হাওয়া যোগ ছিল বলে প্রমাণ পান তদন্তকারী আধিকারিকরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version