শতবর্ষে নৈহাটির বড়মা। কষ্টিপাথরের মূর্তি প্রতিষ্ঠার পর প্রথম কালীপুজো উপলক্ষে সাজো সাজো রব বড়মার মন্দিরে। কালীপুজোর আগের রাত থেকেই পুজো দিতে ভক্তদের লাইন বড়মার মন্দিরে। দীপান্বিতা কালীপুজোর পুন্যলগ্নে বড়মার পায়ে পুজো দিতে হাজার হাজার মানুষ ইতিমধ্যেই ভিড় জমিয়েছেন মন্দিরে।

এতদিন কালীপুজোতে মাটির মূর্তি গড়ে পুজো হতো বড়মার মন্দিরে আর সারা বছর দেবী পূজিতা হতেন ছবিতে। ১০০ তম বর্ষে এসে মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কষ্টিপাথরের দেবী মূর্তি। যদিও এবছরও তৈরি হয়েছে ৫২ ফুটের কালী মূর্তি। ব্যারাকপুর মহকুমা অঞ্চলের নৈহাটির বড়মার কাছে পুজো দিতে দূরদুরান্ত থেকে প্রতিবছর লোক ছুটে আসেন। এবছর দেবীকে নয়া রূপে দেখতে ভক্তদের মধ্যে বাড়তি উন্মাদনা। পুজো কমিটির অনুমান, ১০০ বছরে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে ভেঙে যাবে ভক্তদের ভিড়ের রের্কড। দণ্ডী কাটবেন ১৫ হাজারের বেশি মানুষ বলে পুজো কমিটির এক সদস্যের দাবি।

নৈহাটি বড়মা মন্দির কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল আটটা থেকেই পুজো জমা নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। সন্ধে ছটা অবধি জমা দেওয়া যাবে পুজো। একটানা পুজো জমা নেওয়া হলেও হাজার হাজার মানুষের লাইন মন্দিরে। অন্যদিকে, রবিবার দুপুর ২টো পর অমাবস্যা তিথি পড়লেও রাত ঠিক ১২টায় শুরু হবে দেবীর পুজো। বড়মা মন্দির ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়েছে, রাত ১২ টায় বড়মার পুজো শুরু হবে। পুজোর পর রাতে অঞ্জলি। সেসব শেষ হলে তবে হবে ভোগ বিতরণ। তা হতে হতে সোমবার সকাল পেরিয়ে যাবে বলে অনুমান ভক্তদের।

কথায় আছে, পুন্যতিথিতে বড়মার কাছে কিছু চাইলে বড়মা খালি হাতে ফেরান না। মনস্কামনা পূর্ণ হলে মাকে গয়না দেন ভক্তরা। ভক্তদের দানে তৈরি ১০০ ভরি সোনার গয়নাতেই সাজানো হয় বড়মাকে। মায়ের পায়ের নীচে থাকা শিবকেো অন্য বছরের মতো এবছরও বহু ভক্ত মনস্কামনা পূরণের পর পুজো দিতে হাজির হয়েছেন। নৈহাটি অরবিন্দ রোডে সুউচ্চ কালী প্রতিমা বড়মার মন্দিরে আজ তিল ধারণের জায়গা নেই। মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে,নৈহাটির বাসিন্দা ভবেশ চক্রবর্তী শুরু করেন বড়মার পুজো। কালীপুজোতে কৃষ্ণনগরের বিশাল আকারের কালী মূর্তির পুজো দেখে এই পুজো শুরু করেছিলেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version