এই সময়: রাজ্যে আলুর চাষ শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় সারের জোগানই নেই। অভিযোগ, অনেক আগে থেকে চাহিদার কথা কেন্দ্রকে জানানোর পরেও এনপিকে অর্থাৎ নাইট্রোজেন ফসফেট পটাশ (১০:২৬:২৬) সারের জোগান কার্যত নেই। তার ফলে ধাক্কা খেতে পারে আলু চাষ। রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে কেন্দ্রকে রাজ্যের ক্ষোভের কথা জানানো হয়েছে।

তার পরেই তিনটি সংস্থা এনপিকে পাঠানো শুরু করেছে। তবে তা চাহিদার তুলনায় নেহাতই নগণ্য। অথচ রাজ্যে আলু চাষে এই সার অপরিহার্য। এ দিকে সারের অভাবে জেলায় জেলায় কালোবাজারিও শুরু হয়েছে। কৃষিমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ সব ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ করা হচ্ছে। কৃষিমন্ত্রীর অভিযোগ, কেন্দ্রের এক মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একটি সংস্থার সার জোর করে চালানো হচ্ছে।

শুক্রবার কৃষিমন্ত্রী নবান্নে বলেন, ‘কেন্দ্রকে সব মরশুমের সারের চাহিদার কথা অনেক আগে থেকেই জানাতে হয়। আলু চাষের জন্য কোন সার কতটা প্রয়োজন, তা জানিয়েছিলাম। সার প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির সঙ্গেও বৈঠক করেছিলাম। সারের ডিস্ট্রিবিউটর, ডিলারদের কালোবাজারি নিয়ে সতর্ক করেছি।’ শোভনদেব জানান, অন্যান্য সারের জোগান থাকলেও এনপিকে কার্যত নেই।

শোভনদেবের প্রশ্ন, ‘যদি জোগান দেওয়া না হয়, তা হলে আমাদের থেকে চাহিদার কথা জানতে চাওয়া হলো কেন? আরও সার হয়তো আছে, কিন্তু আমাদের রাজ্যের চাষিরা এই এনপিকে-ই ব্যবহার করেন। ফলে সার না পাওয়া গেলে চাষ ধাক্কা খাবে। তবে তিন সংস্থা যদি এখন থেকে এনপিকে পাঠায়, তা হলে সমস্যা মেটানো যাবে।’

সারের কালোবাজারির কথা মেনে নিয়ে কৃষিমন্ত্রী জানান, সার বিক্রেতাদের সাবধান করে দেওয়া হয়েছে। ধরা পড়লে লাইসেন্স বাতিল করা হবে। তাঁর অভিযোগ, চাষিরা অন্য সার কিনলে একটি সংস্থার নাইট্রোজেন সার কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, ‘শুনেছি ওই সংস্থার মালিক কেন্দ্রের কোনও বড় মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ। আমরা বলেছি, জোর করে আমাদের এখানে এটা করা যাবে না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version