কী জানালেন শুভেন্দু?
মালদা জেলায় গোবিন্দপুর-মহেশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মালডাঙা নক্কারজনক ঘটনা নিয়ে তোলপাড় গোটা রাজ্য। জলপাইগুড়ির ঘটনা মনে করিয়ে অ্যাম্বুল্যান্স এর অভাবে রোগী মৃত্যুর ঘটনায় সমালোচনা রাজ্য জুড়ে। অ্যাম্বুল্যান্স না পাওয়ার কারণে রাস্তা দিয়ে খাটিয়া করে ওই রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় পরিবারের তরফে। এরপর রাস্তাতেই মৃত্যু হয় তাঁর। গোটা ঘটনায় নিন্দার ঝড় রাজ্যে। শুভেন্দু বলেন, ‘এটা ভয়ঙ্কর এবং লজ্জাজনক ঘটনা। সরকার পরিকাঠামোগত বিষয়ে উন্নতি করতে চায়না।’
সিদ্দিকুলার মন্তব্যে নিন্দা
মালদা জেলার ঘটনার পর বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। ‘ ভাগ্যে ছিল…’ বলে ঘটনার ব্যাখ্যা করেন তিনি। একটি ঘটনার জন্য বাকি ৯৯টি ভালো ঘটনাকে ছোট করে দেখানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করতে শোনা যায় তাঁর মুখে। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর এই মন্তব্য নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘ ওঁর (সিদ্দিকুল্লা) কাজ উস্কানিমূলক কথা বলে আগুন জ্বালানো। বিভ্রান্তিমূলক কথার মধ্য দিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করেন তিনি।’
শনিবার দাসনগরে আয়োজিত একটি জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধন করেন শুভেন্দু অধিকারী। এই অনুষ্ঠান থেকেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে মৃতদের পরিবারের সদস্যকে চাকরি দেওয়ার প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘আদালতে মৃতদের নামের তালিকা আছে। সেই তালিকা অনুযায়ী পরিবারের সদস্যদের হোম গার্ডের মতো অস্থায়ী নয়, স্থায়ী চাকরির ব্যবস্থা করুক সরকার।’
জেলায় জেলায় জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনের পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা খেজুরিতে বটতলায় কাঁথি সাংগঠনিক জেলার বর্ধিত অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি অরূপ কুমার দাস সহ রাজ্য ও জেলা বিজেপির সমস্ত দলীয় নেতৃত্ব ও জয়ী গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যরা। আভ্যন্তরীণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যের আইনমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থায় সিবিআই। পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন, ‘একটা লোক সিবিআইকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছে। ঢুকিয়ে দেওয়া উচিত! কেষ্ট মণ্ডলের পাশে দেখতে চাই।’