DA নিয়ে রাজ্য এবং রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশের টানাপোড়েন তুঙ্গে। আপাতত এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। মামলাটির দ্রুত শুনানির যে আর্জি করা হয়েছিল, তা খারিজ হয়ে যায় সর্বোচ্চ আদালতে। এই আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আন্দোলনরত সরকারি কর্মীরা। কিন্তু, শুক্রবার তা খারিজ হয়ে যায়। সূত্রের খবর, আগামী বছর ৫ তারিখ মামলাটির শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় হারে DA-র দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে যাচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল (SAT)-এ জয় হয়েছিল তাঁদের। এরপর মামলাটি গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে।

কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ২০২২ সালের ২০ মে রাজ্য সরকারি কর্মীদের পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এই মামলা পুনর্বিবেচনা করার আর্জি নিয়ে ফের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। কিন্তু, তা খারিজ হয়ে যায়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের দরজায় কড়া নেড়েছিল রাজ্য।

আপাতত সেই মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। গত ৩ নভেম্বর এই মামলাটি শেষ সুপ্রিম কোর্টে ওঠে। কিন্তু, তা ফের পিছিয়ে যায়। আপাতত সর্বোচ্চ আদালত কি নির্দেশ দেয় সেই দিকে তাকিয়ে সব মহল।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি DA নিয়ে উল্লেখযোগ্য মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, ‘DA বাধ্যতামূলক নয়, ঐচ্ছিক বিষয়।’ পাশাপাশি কেউ কেন্দ্রীয় সরকারের হারে DA চাইলে কেন্দ্রের চাকরি করার কথাও বলেছিলেন তিনি। একইসঙ্গে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ তুলেও সরব হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এরপরেই রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনগুলি আরও আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়ানোর কথা বলেছিল। রাজ্য সরকারি কর্মচারি পরিষদের সভাপতি দেবাশিস শীল সরাসরি নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে গেরুয়া শিবিরকে সমর্থন করেছিলেন এবং বাংলায় পালা বদলের ডাক দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি আইনি লড়াই আরও জোরাল হবে বলেও মন্তব্য করেছিলেন দেবাশিসবাবু। আইনি লড়াই প্রসঙ্গে একই সুর শোনা গিয়েছিল ইউনিটি ফোরামের কণ্ঠেও।

অন্যদিকে, শহিদ মিনারের পাদদেশে ধরনায় বসেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ। তৈরি হয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চও। সেই মঞ্চের তরফে বার্তা যে আন্দোলন আরও জোরাল হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version