ঊর্ধ্বসীমা থাকা দরকার, মত অভিষেক
চোখের চিকিৎসার জন্য হায়দরাবাদ গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা। সোমবার কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। অভিষেক বলেন, ‘কেউ কেউ নবীন-প্রবীণ নিয়ে নিজেদের ব্যক্তিগতম মতামত দিয়েছে। নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি সবার থাকতে পারে। তবে আমি মনে করি, শুধু রাজনীতি নয় যে কোনও ক্ষেত্রেই একটা ঊর্ধ্বসীমা থাকা দরকার। কারণ যে পরিশ্রম যুবকরা করতে পারেন, তা ৭০ বছর বয়সী কারও পক্ষে করা সম্ভব নয়। আমি কাউকে দোষ দিচ্ছি না।’
তৃণমূল সাংসদ আরও বলেন, ‘প্রবীণদের অভিজ্ঞতা নিশ্চয়ই প্রয়োজন। তাঁদের লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা ও মানুষের কাজ করার মানসিকতা প্রয়োজন। তবে এটাও ঠিক যে বয়স বাড়লে কর্মক্ষমতা কমে। সেই কারণে আমি মনে করি সব পেশাতে একটা ঊর্ধ্বসীমা থাকা দরকার।’
আগামী লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কী বয়স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে? এই প্রশ্নের জবাবে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড বলেন, ‘আমি ঠিক সেটা বলতে পারব না। সেটা সর্বজন শ্রদ্ধেয়া নেত্রী ও দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করবেন। এবং যেখানে আমার মতামত বা পরামর্শ দেওয়ার দরকার হবে, আমি নিশ্চয়ই দেব।’
নতুন তৃণমূল নিয়ে ব্যাখ্যা
২০২১-এ দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান অভিষেক। তারপর থেকে একাধিকবার উঠেছে এসেছে ‘নতুন তৃণমূল’ প্রসঙ্গ। সোমবার ফের একবার নতুন তৃণমূল নিয়ে ব্যাখা দেন তৃণমূল নেতা। অভিষেক বলেন, ‘সিপিএমের মতো জগদ্দল পাথরকে সরিয়ে যাঁরা মা মাটি মানুষের সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিল, পঞ্চায়েতে আমরা তাঁদের টিকিট দেব বলেছিলাম। এটাই নতুন তৃণমূল। যাঁরা নতুন দলে এসে, তাঁরা দল করবে আর পুরনো করবে না, এটা তো হতে পারে না। সংমিশ্রণ করে চলার কথা আমি বলেছি। নতুন তৃণমূল মানে এই নয় যে কমবয়সীরা দল করবে… প্রতিভাকে কোনও দিন গায়ের জোরে বা চক্রান্ত করে আটকে রাখা সম্ভব নয়।’
