National Anthem Contempt Case : ‘জাতীয় সঙ্গীতকে অস্ত্র করতে পারেন না’, BJP বিধায়কদের স্বস্তি দিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের – calcutta high court gives interim stay order on investigation about national anthem disrespect case against bjp mlas


জাতীয় সংগীত অবমাননা মামলায় BJP বিধায়কদের খানিক স্বস্তি! স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও বাড়াল কলকাতা হাইকোর্ট। ‘জাতীয় সঙ্গীতকে অস্ত্র করতে পারেন না’, পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের।

বিধানসভায় জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলা বৃহস্পতিবার ওঠে কলকাতা হাইকোর্টে। এই মামলার তদন্ত স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলাটির পরবর্তী শুনানি হতে চলেছে ১০ জানুয়ারি। এদিন বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চে মামলাটি ওঠে।

বিচারপতি বলেন, ‘জাতীয় সংগীতকে অস্ত্র করতে পারেন না। জাতীয় সংগীতকে তার সম্মান দিয়েই গাইতে হবে। এখানে তা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে অপরপক্ষকে দমিয়ে দেওয়ার কৌশল হিসেবে নেওয়া যায় না।’ বিচারপতি আরও বলেন, ‘পুলিশের থেকে ভিডিও ফুটেজ ল্যাপটপে দেখতে গিয়ে বারে বারেই তৃণমূলের ধরনার ছবি দেখা যায়।’ রাজ্য়ের দাবি, দুই দিকে দুটি ধরনা হচ্ছিল। তাই একটি ক্যামেরাতে তা ধরা সম্ভব হয়নি। আদালত তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালত তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করলে সরকারি কৌশলী কিশোর দত্ত পালটা তাঁর সওয়াল না শুনে ভিডিয়ো দেখা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাতে আদালতের বক্তব্য, এই ছবি পুলিশ দিয়েছে। তা কেস ডাইরির অংশ। সেখানে এই ছবি দেখার, প্রশ্ন তোলার জায়গা আছে।

কিন্তু, কিশোর দত্ত সরাসরি আদালতের এই ভূমিকায় বিরক্ত ও অসন্তোষ প্রকাশ করে তাঁর বক্তব্য না শোনায় আদালতকে অভিযুক্ত করলে বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেন, ‘এদিন অন্য সব মামলা রিলিজ করে দেওয়া হল। ধর্ষণ, খুনের মতো জরুরি মামলা থাকলেও আজ শোনা যাবে না। এটাই জরুরি মামলা। তাই এটাই শোনা হবে।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিধানসভায় ধরনা কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন BJP বিধায়করাও। সেই সময় তৃণমূলের পক্ষ থেকে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূল বিরোধী স্লোগান দিচ্ছিল BJP বিধায়করা। এই নিয়ে হেয়ার স্ট্রিট মামলায় দায়ের করা হয় অভিযোগও।

Calcutta High Court : জাতীয় সংগীত অবমাননা মামলায় ধাক্কা রাজ্যের! ‘বিধায়কদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নয়’, জানাল হাইকোর্ট
অন্যদিকে, এই ঘটনায় পালটা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন BJP বিধায়করা। গত সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল , বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই ১১ জন বিধায়ক যাঁদের নাম উল্লেখ রয়েছে FIR-এ তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। এদিন ফের একবার মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টে ওঠে এবং সেখানে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও বাড়ানো হল। এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট কী নির্দেশ দেয়, এখন সব নজর সেই দিকেই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *