কী জানা যাচ্ছে?
Gangasagar Mela 2024-কে সামনে রেখে শুক্রবার দিন গঙ্গাসাগরের সার্কিট হাউজের একটি উচ্চপর্যায়ে বৈঠক করলেন দক্ষিণ 24 পরগনা জেলাশাসক। গঙ্গাসাগর মেলা সুষ্ঠু ও সার্বিকভাবে করার জন্য প্রত্যেকটি ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন জেলাশাসক। এই দিনের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন পুলিশ জেলার এসপি কটেশ্বর রাও, সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা জেলা সভাধিপতি নীলিমা বিশাল মিস্ত্রি, সহসভাধিপতি সীমান্ত মালি সহ অন্যান্যরা।
কী সুবিধা থাকছে?
মূলত গঙ্গাসাগর মেলা ২০২৪ কে সুষ্ঠ ও সার্বিকভাবে করার জন্য এ বছর পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন, সিভিল ডিফেন্স, ফায়ার ডিপার্টমেন্ট দমকল ডিপার্টমেন্ট সহ স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকেরা। মূলত প্রত্যেক বছরই অত্যাধিক কুয়াশার কারণে যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। সেই পূর্ব অভিজ্ঞতাকে মাথায় রেখেই এ বছর অত্যাধুনিক আলোর ব্যবস্থা সহ আন্টি ফগ লাইট এর ব্যবস্থ রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য এবারে কচুবেড়িয়া থেকে সি বিচ পর্যন্ত ছ নম্বর একটি নতুন রাস্তা এক্সটেনশন করা হচ্ছে। যাতে পুণ্যার্থীদের কোনোভাবে অসুবিধা না হয়।
অন্যদিকে, প্রত্যেক বছরের মতো ইস্নান এই দর্শন থেকে শুরু করে গোটা মেলা পরিচালনা করা হবে মেগা কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে। অন্যদিকে এবছরের মেলায় ডিজিটালাইজেশন এর উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। যেখানে gprs ট্র্যাকিং থেকে শুরু করে কিউআর কোড মাধ্যমে গোটা মেলা সম্পর্কে জানতে পারবে পুণ্যার্থীরা। একদিকে যেমন অ্যান্টি ফগ লাইটের মাধ্যমে ভেসেল চলাচলের জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে ঠিক তেমনি জিপিআরএস ট্রেকিং এর মাধ্যমে প্রত্যেকটি ভেসেল থেকে পরিবহণ ব্যবস্থায় জোর দিচ্ছে জেলা প্রশাসন।
QR Code-এ কী সুবিধা?
যদি কোনওভাবে কোন ভেসেল বা কোন গাড়ি রুটের বাইরে চলে যায়, সঙ্গে সঙ্গে অ্যালার্মের মাধ্যমে জানান দেবে প্রশাসনিক আধিকারিকদের। গঙ্গাসাগর মেলায় যে সমস্ত পুণ্যার্থীরা আসবে তাঁদের হাতে যেমন একদিকে জিপিআরএস ব্যান্ডের ব্যবস্থা থাকছে। ঠিক তেমনি মেলার কোথায় কি রয়েছে টয়লেট থেকে শুরু করে মন্দির প্রাঙ্গণ ও অন্যান্য ব্যবস্থা তা কিউবার কোডের মাধ্যমে স্ক্যান করলেই জানতে পারবে সেই পুণ্যার্থীরা। আর তাই গঙ্গাসাগর মেলা কে এবারে অন্যতম রুপদানে বদ্ধপরিকর জেলা প্রশাসন।
