জানা গিয়েছে, বেলা ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ তিনি নবান্নে পৌঁছে যান। এদিন মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে ছিলেন না। স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা নিরাপত্তা বলয় কম ছিল। কিন্তু, শুভেন্দু অধিকারী নবান্নে পৌঁছনোর পর তড়িঘড়ি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়।
এদিন ‘আর্থিক বঞ্চনা’-র অভিযোগকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নমোর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক শেষের পরেই শুভেন্দু অধিকারীর এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়েছে। তিনি বেশ কিছুক্ষণ ভিজিটর্স রুমে বসেছিলেন। কিন্তু, কার সঙ্গে তিনি দেখা করতে চান, তা স্পষ্ট নয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তিনি মুখ্য সচিবের সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন।
সূত্রের খবর, এদিন একটি পোস্টার হাতে ছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। যেখানে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা থেকে শুরু করে আবাস যোজনায় কত বেশি বরাদ্দ হয়েছে মোদী জামানায়, তা লেখা রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের কথায়, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ খারিজ করতেই নবান্নে শুভেন্দু উপস্থিতি। বরং আগের কেন্দ্র সরকারের তুলনায় মোদী সরকার বাংলাকে বেশি বরাদ্দ দিয়েছেন বলে বার্তা দিতে চাইছেন তিনি।
এদিন নবান্ন থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমাদের সমর্থক ভোটার হলে আবাস থেকে বঞ্চিত করা হয়। আমরা যুক্তি তথ্য দিয়ে এখানে বলে গেলাম। মুখ্য সচিবের সঙ্গে দেখা করেছি। আমরা আগে থেকে বললে ঢুকতে দিত না। আমরা সবমিলিয়ে ৫ জন এসেছি আইন মেনে।
এখানে পঞ্চায়েত ভোট লুঠ হয়। বিরোধীদের বঞ্চনা করা হচ্ছে। লড়াই হবে। এক ইঞ্চিও জায়গা ছাড়ব না।’ অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বঞ্চনার অভিযোগের পালটা সরব হয়েছেন তিনি এবং সেই কারণেই নবান্নে উপস্থিত হয়েছিলেন বলে স্পষ্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা।