এই সময়, গোবরডাঙা: মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক মিলিয়ে গোবরডাঙা পুরভার মধ্যে আটটি স্কুল। কিন্তু তার মধ্যে একমাত্র খাটুরা বয়েজ এবং গার্লস হাইস্কুলেই ছাত্রছাত্রী ভর্তির চাপ রয়েছে। গোবরডাঙার সিংহভাগ অভিভাবকরাই চান এই দুই স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি থেকে ছেলেমেয়েরা ভর্তি হোক। অভিভাবক থেকে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যেও এই দুই স্কুলে ভর্তির চাহিদাও তুঙ্গে। ফলে শিক্ষার পরিকাঠামো থাকলেও ছাত্রছাত্রী ভর্তির সংখ্যা ন্যূনতম হওয়ায় ধুঁকতে বসেছে গোবরডাঙা পুরসভার মধ্যে থাকা অন্যান্য স্কুলগুলি।

এ বার পুরসভা এলাকার সবকটি মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলেই ছাত্রছাত্রী ভর্তির মাধ্যমে শিক্ষা সম্প্রসারণের বিশেষ উদ্যোগ নিল গোবরডাঙা পুরসভা। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়েই আটটি মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক-সহ পরিচালন সমিতিকে নিয়ে পুরসভায় বৈঠক করলেন চেয়ারম্যান শঙ্কর দত্ত। ছাত্রছাত্রী ভর্তির মাধ্যমে শিক্ষার সম্প্রসারণ নিয়ে বৈঠকে একটা নির্দিষ্ট পলিসিও তৈরি করা হয়েছে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গেছে।

গোবরডাঙা পুরসভা এলাকার মধ্যে রয়েছে দু’টি মাধ্যমিক এবং ছ’টি উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল। মাধ্যমিক স্তরের স্কুল দু’টি হল নেতাজি বিদ্যাপীঠ এবং শ্রীচৈতন্য বিদ্যালয়। এর মধ্যে খাটুরা বয়েজ এবং গার্লস স্কুলেই পঞ্চম শ্রেণি থেকে ভর্তির চাহিদা বেশি। লটারি বা অন্য কাউকে ধরে এই দুই স্কুলে নিজের সন্তানদের ভর্তি করতেই মরিয়া চেষ্টা চালান গোবরডাঙার সিংহভাগ অভিভাবক।

Primary School: ঝুলিতে একগুচ্ছ পুরস্কার, হেডস্যরের উদ্যমে সীমান্তের স্কুল এখন মডেল
অথচ গোবরডাঙার অন্যান্য স্কুলে শিক্ষার পরিকাঠামো ও যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকা সত্ত্বেও ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা অনেকটাই কম। এর মধ্যে শ্রীচৈতন্য বিদ্যালয় এবং কলেজিয়েট হাইস্কুলটি পড়ুয়ার অভাবে ধুঁকতে বসেছে। এই বিষয়টি মাথায় রেখেই মঙ্গলবার গোবরডাঙা পুরসভা এলাকার আটটি স্কুলের কর্তৃপক্ষকে নিয়ে বৈঠক করেন পুরসভার চেয়ারম্যান শঙ্কর দত্ত। বৈঠকে স্কুলগুলির প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও পরিচালন সমিতির সদস্যরাও ছিলেন।

চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা চাই সব স্কুলেই ভর্তি হোক ছাত্রছাত্রী। সেই লক্ষ্যেই এ দিনের বৈঠকে খাটুরা বয়েজ এবং গার্লস হাইস্কুলে ছাত্রছাত্রী ভর্তির সুনির্দিষ্ট সংখ্যা ঠিক করা নিয়ে পলিসি তৈরি হয়েছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version