চাষের জমিতে দেখা গেল বিরল প্রজাতির বাঙ্গস মাছ। বসিরহাটের সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের সাণ্ডেলেরবিল গ্রাম পঞ্চায়েতের আমবেড়িয়া গ্রামের ঘটনা। বিরল প্রজাতির সেই মাছ দেখতে ভিড় জমান গ্রামবাসীরা। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, হয়ত খাবারের সন্ধানেই চাষের জমিতে চলে এসেছিল মাছটি।

জানা গিয়েছে, গ্রামের বাসিন্দা তারাপদ মণ্ডল শুক্রবার সকালে নিজের জমিতে যখন চাষ করতে যান, তখন বিশালাকার ওই মাছটিকে দেখতে পান। দেখে স্বভাবতই হকচকিয়ে যান তিনি। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়দের ডেকে মাছটিকে দেখাতেই জানা যায় সেটি বিরল প্রজাতির বাঙ্গস মাছ। তারপরে সেটিকে স্থানীয় বাজারে নিয়ে যাওয়া হয়।

কত ওজন মাছটির?
মাছটি লম্বায় প্রায় ৬ফুট, ওজন ৫ কিলো ৬০০ গ্রাম। বাজারে নিয়ে যাওয়ার পর দ্রুত খবর ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মাছটিকে দেখতে ভিড় জমায় স্থানীয় বাসিন্দারা। কী করে মাছটি নদী ছেড়ে চাষের জমিতে চলে এল তা বুঝতে পারছেন না এলাকার মানুষজন। তবে তাঁদের প্রাথমিক ধারণা, খাবারের সন্ধানেই হয়ত এই মাছ নদী ছেড়ে চাষের জমিতে উঠে এসেছে।

রামকৃষ্ণ মণ্ডল নামে ব্যক্তি বলেন, ‘মাছটি খুবই ক্ষতিকারক। ফসলের ক্ষতি করে। ধান কাটতে গিয়ে দেখা গিয়েছে। অনেক ধান খেয়ে নিয়েছে। প্রচুর মানুষ দেখতে আসছে। সেটি এখন বিক্রি করা যাচ্ছে না। প্রচুর মানুষ দেখতে আসছেন।’ এককথায় বলতে গেলে, এদিন বিশালাকার এই মাছটিকে নিয়ে কার্যত ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় গোটা এলাকাজুড়ে।

দিঘায় উঠেছিল শংকর মাছ
প্রসঙ্গত, গত জুন মাসে দিঘা মোহনায় ওঠে ৭০ কেজি ওজনের এক শংকর মাছ। সেই খবর চাউর হওয়ার পরই বিশালাকার শংকর মাছটিকে দেখতে সেখানে বিড় জমায় প্রচুর মানষ। ক্রেতা এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে আগ্রহ দেখা যায় চোখে পড়ার মতো। এমনকী বিশালাকার সেই মাছ দেখতে দিঘা মোহনার বাজারে ভিড় জমান পর্যটকরাও।

মুর্শিদাবাদেও জালে ওঠে বিশাল মাছ
গত বছর মুর্শিদাবাদে মৎস্যজীবীদের জালে ওঠে একটি ২৩ কেজি ওজনের মাছ। মাছটির আকৃতি দেখে চক্ষু কপালে ওঠে ক্রেতাদের। মুর্শিদাবাদের নবগ্রামে মৎস্যজীবীদের জালে ওঠে বিশাল আকৃতির ওই মাছটি। নবগ্রামের মানকর বিল থেকে মৎসজীবীদের জালে উঠে আসে ওই মাছ। মাছটির প্রজাতি নিয়েও মত পার্থক্য তৈরি হয়। কেউ বলতে থাকেন সেটি বিরিকেড মাছ, আবার অনেকে বলে সেটি চিনে সিলভাস। শেষে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয় মাছটি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version