মহিলা পুলিশ কর্মীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনা জেলার খড়দা থানা এলাকায়। পানিহাটি পুরসভার এক কাউন্সিলর ও তাঁর দুই অনুগামীরা বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন এক পুলিশ কর্মী। ঘটনায় সরব বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পালটা জবাব তৃণমূল কংগ্রেসেরও।

কী জানা যাচ্ছে?

পানিহাটি উৎসবের মাঠে এক মহিলা পুলিশকর্মীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের আঙুল উঠেছে এক।কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। খড়দা থানায় ইতিমধ্যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শ্লীলতহানির অভিযোগ তুলেছেন মহিলা পুলিশ কর্মীর। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ

কী অভিযোগ রয়েছে?

হাওড়ার কার্নিভ্যাল অনুষ্ঠানের পর এবার বিতর্কে পানিহাটি উৎসব। জানা গিয়েছে, গত ২৩শে ডিসেম্বর পানিহাটি অমরাবতীর মাঠে পানিহাটি উৎসবের অনুষ্ঠান চলাকালীন ব্যারাকপুর পুলিশ ব্যাটালিয়নের এক মহিলা পুলিশ কর্মীর সঙ্গে অভব্য আচরণ ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। পানিহাটি পুরসভার ১ কাউন্সিলর সহ দুই তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়। ওই মহিলা পুলিশকর্মী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খড়দা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।


প্রতিবাদ বিজেপির?

পুলিশ কর্মীর সেই অভিযোগের তথ্য সহ সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আর এই পোস্টকে ঘিরেই পানিহাটি বিধানসভা তথা রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। সুকান্ত তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেন, ‘ওই মহিলা পুলিশ কর্মী খড়দা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ঘটনার দিনই। ঘটনার পর ছ’দিন কেটে গেলেও এখনও কি পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পেরেছে..?? পশ্চিমবঙ্গে নারী সুরক্ষার এতটা বেহাল দশা যে সাধারণ মহিলা তো বটেই, কর্তব্যরত মহিলা পুলিশও ছাড় পান না তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাত থেকে… ধিক্কার মহিলা মুখ্যমন্ত্রী!’

Barrackpore Trunk Road : ৮৮ কোটি খরচ, বদলে যাবে BT Road! মঙ্গল থেকে শুরু হচ্ছে কাজ
তৃণমূল কী বলছে?

সুকান্ত মজুমদারের এই পোস্ট নিয়ে পানিহাটির বিধানসভার বিধায়ক নির্মল ঘোষ বলেন, ‘বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং সাজানো। পানিহাটি উৎসব এক বিরাট উৎসব । এই উৎসবকে বদনাম করার জন্য পুলিশের একাংশর সাথে বিজেপি মিশে গিয়ে এই ধরনের অপপ্রচার করছে।’ তাঁর কথায়, খড়দা থানার পুলিশের একাংশ বিজেপির সঙ্গে জড়িত। কী করে থানায় করা অভিযোগের চিঠি পেয়ে যান বিজেপি রাজ্য সভাপতি? এর থেকেই প্রমাণিত হয় পুলিশ বিজেপির সঙ্গে মিলেমিশে এই ধরনের নোংরা কাজ করছে। তবে গোটা বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর। যদিও, বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত কাউন্সিলরের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version