দিব্যেন্দু সরকার, আরামবাগ

জিতলে মিলবে ১২ কেজির খাসি। আর রানার্স আপ হলে মিলবে ২০ কেজি মুরগি! এমনটাই কথা ছিল। হলও তাই। এমনই অভিনব এক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছিল আরামবাগের মুথাডাঙা শিশুদীপ বয়েজ ক্রিকেট ক্লাব। মুথাডাঙার ওই ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ১৬টি টিম অংশগ্রহণ করে। খাসি-মুরগির লড়াইয়ে শেষমেশ খাসি নিয়ে বাড়ি ফেরে জয়রামপুর ক্রিকেট ক্লাব। আর রানহাট ক্রিকেট ক্লাব পায় মুরগি।

এই খেলায় কোনও ট্রফি ছিল না। ছিল না কোনও ম্যান অফ দ্য ম্যাচ, ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট। কিন্তু তা সত্ত্বেও মানুষের এই খেলা নিয়ে বেশ আগ্রহ দেখা যায়। খাসি-মুরগির লড়াই বলেই এই খেলা মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত হয়। ক্রিকেট প্রেমীরা সারা দিন এই খেলা উপভোগ করেন। চলতি মরশুমে গ্রামে গঞ্জে শর্টহ্যান্ড ক্রিকেটের রমরমা বেশি। দূর দূরান্ত থেকে বিভিন্ন টিম এসে এই খেলায় অংশ নেয়।

১৬টি দল একে অপরকে টেক্কা দিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। উদ্যোক্তারা জানান, ট্রফি, টাকা তো পুরস্কার হিসেবে অনেকেই দেয়। কিন্তু তাঁরা নতুন কিছু করতে চেয়েছিলেন। তাই জয়ী দলকে ১২ কেজির খাসি এবং দ্বিতীয় স্থানে যে টিম থাকবে তাদের ২০ কেজি মুরগি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়।

মুথাডাঙা শিশুদীপ বয়েজ ক্রিকেট ক্লাবের তরুণরা জানান, এই মরশুমে শর্টহ্যান্ড ক্রিকেট চলছে। সেখানে তাঁরাও একটি শর্টহ্যান্ড ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন। শনিবার দিনভর লড়াইয়ের পর জয়ী হয় জয়রামপুর ক্রিকেট ক্লাব। রানহাট ক্রিকেট ক্লাবকে হারিয়ে ১২ কেজি খাসি জিতে নেয় তারা। রানহাট ক্রিকেট ক্লাব ২০ কেজি মুরগি পেয়েছে।

NASA: অ্যাসবেসটসের ঘর থেকে নাসা, কী ভাবে সাফল্য এসেছিল হুগলির গৌতমের জীবনে?
মুথাডাঙা শিশুদীপ বয়েজ ক্লাবের এক কর্তা সৈকত পাল বলেন, ‘আমরা একটু নতুন স্বাদ আনার চেষ্টা করলাম। সবাই তো সেই একই ভাবে ট্রফি না হয় কাপ দেয়। সেটা ফেরত দিয়ে দিতে হয়। কিন্তু আমরা দেখলাম এখন বনভোজনের মরশুম। তাই আমরা সবাই বিভিন্ন এলাকার ক্রিকেট দলের কাছে গিয়ে এই প্রস্তাব রাখি। তাঁরাও আনন্দিত হয়ে নিমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। এই খেলা দারুণ উপভোগ করেছে মানুষ।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version