কী জানালেন শুভেন্দ?
মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙা এলাকায় এদিন একটি সভায় উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘৭ – ৮ টা বিধায়ক তো আছে। কখনও ওঁরা দিল্লি যায়।’ দিল্লি গিয়ে বিজেপিতে যোগদানের ব্যাপারে তাঁরা পা বাড়িয়েছেন বলেই দাবি তাঁর। যা নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। এমনিতেই, তৃণমূলের অন্দরে আদি নব্য বিরোধ নিয়ে চর্চা লেগেই রয়েছে। প্রকাশ্যে একের পর এক নেতা পরস্পর বিরোধী মন্তব্য করে চলেছেন।
বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা?
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের লোকসভা নির্বাচনে আগেও একাধিক তৃণমূল নেতা বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। স্বয়ং শুভেন্দু অধিকারী নিজেও বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালের ফলাফল দেখার পর একাধিক তৃণমূল নেতা শিবির বদল করে। ২০২৩ লোকসভা নির্বাচনের আগেও কী সেরকম পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে? সেই জল্পনা উস্কে দিলেন তিনি।
তবে এই তৃণমূল নেতাদের দলে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে তিনি রাজি নন বলেও জানান। শুভেন্দু বলেন, ‘এঁদের নিতে আমি বলব না। যাঁরা চাকরি চুরি করেছে, এঁদের নিতে আমি কোনওদিন বলব না। দেখতে থাকুন না।’
এদিনের সভা থেকে শুক্রবারের সকালের সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে তোপ দাগেন তিনি। তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের প্রশ্রয়ে শেখ শাজাহানের মতো নেতা তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের এই এলাকায় যথেষ্ট ভোট লুঠ হয়েছে, তার কান্ডারী ছিল সন্দেশখালির এই নেতা বলেও দাবি করা হয়েছে শুভেন্দুর তরফে। এই ধরনের ঘটনায় আগামী দিনে এনআইএ তদন্ত করে সকলকে জেলে ঢোকানো উচিত বলে দাবি করেন বিরোধী দলনেতা।
মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে গত বিধানসভা নির্বাচনে ভালো ফল করতে পারেনি বিজেপি। তবে এদিন সংখ্যালঘু বাসিনাদের জন্য শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, বর্তমান রাজ্য সরকার তাঁদের কেবল ব্যাবহার করেছে ‘রান্নায় তেজপাতার’ মতো ফায়দা তোলার জন্য, আদতে কোনও উন্নতি করেনি। কিছুজনকে দুষ্কৃতী বানিয়েছে, তারই উদাহরণ এই শেখ শাহাজান বলে দাবি তাঁর।