ব্যাঙ্কের KYC আপডেট করানোর নামে প্রতারণা। প্রতারকদের ফাঁদে খোদ কেন্দ্রীয় সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। খোয়ালেন কয়েক লাখ টাকা। পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন হুগলি জেলার উত্তরপাড়ার বাসিন্দা প্রভাত কুমার সরকার। তদন্ত শুরু করেছে চন্দননগর পুলিশ।

কী জানা যাচ্ছে?

এক ফোনে কয়েক লাখ টাকা খোয়ালেন বৃদ্ধ। কে ওয়াই সি আপডেট করার নামে ফোন করে প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রায় চার লাখ ছিয়াত্তর হাজার টাকা খোয়ালেন ওই ব্যক্তি। প্রতারণার ফাঁদে পড়ে চন্দননগর পুলিশের দ্বারস্থ উত্তরপাড়ার প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী।

কী ভাবে হল প্রতারণা?

জানা গিয়েছে, হুগলি জেলার উত্তরপাড়া ভদ্রকালীর ৮৯ রামলাল দত্ত রোডের বাসিন্দা প্রভাত কুমার সরকার। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের অডিট বিভাগের প্রাক্তন কর্মী ছিলেন। তাঁর উত্তরপাড়া বন্ধন ব্যাংকে সেভিংস অ্যাকাউন্ট আছে। সেই ব্যাংকের কর্মী পরিচয় দিয়ে গতকাল একজন ফোন করে। বলা হয় KYC আপডেট করতে হবে। একটা ওটিপি গিয়েছে সেটা বলতে। বৃদ্ধ প্রথমে ওটিপি দিতে অস্বীকার করেন। প্রতারক তাঁকে বোঝায় ওটিপি না দিলে কেওয়াইসি আপডেট হবে না, সেক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে।

খোয়ালেন লাখ লাখ টাকা

এরপর ওটিপি দিতে থাকেন ওই ব্যক্তি। পরপর চার বারে মোট ৪ লাখ কয়েক হাজার টাকা গায়েব হয়ে যায় তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে। পরে যখন বুঝতে পারেন আর কিছু করার ছিল না ওই বৃদ্ধের। এরপর প্রতারিত বৃদ্ধ ব্যাংকে গিয়ে বিষয়টি জানান। ব্যাংক পুলিশে অভিযোগ করতে বলে। উত্তরপাড়া থানায় এবং চন্দননগর পুলিশের সাইবার বিভাগে অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিত। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Cyber Crime : চাকরি দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকার প্রতারণা, পুলিশের জালে এবার কংগ্রেস নেতা
কী জানালেন সেই ব্যক্তি?

সুভাষ কুমার সরকার জানান, তার কাছে ফোন আসা বন্ধন ব্যাংক এর নাম করে। সেখান থেকে KYC করানোর নাম করে ওটিপি চাওয়া। প্রথমে আমি দিতে চাইনি। পরে ওঁরা জানায়, ব্যাংকের অ্যাকাউন্টটি বন্ধ হয়ে যাবে। ব্যাংকের কর্মী ভেবেই আমি ভুল করে ওটিপি দিয়ে দিই। ওটিপি জানাতে চারবারে চার লাখ ৭৬ হাজার টাকা গায়েব হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে উত্তরপাড়া থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ জানান পৌঢ়। গোটা রাজ্য থেকেই এরকম একাধিক সাইবার অপরাধের খবর আসে প্রায় প্রতিদিনই। ব্যাংকের ওটিপি কারও সঙ্গে শেয়ার না করার কথা জানানো হলেও প্রতারিত হচ্ছেন বিভিন্ন ব্যক্তি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version