আগামী ১৮ জানুয়ারি কলকাতা বইমেলার উদ্বোধন হতে চলেছে। তবে সল্টলেকে বইমেলার যাওয়া এবং ফিরতি পথে চিন্তায় থাকেন দক্ষিণ কলকাতা এবং শহরতলির বাসিন্দারা। যাত্রীদের জন্য এবার বিশেষ ব্যবস্থা নিতে চলেছে রাজ্য পরিবহণ বিভাগ। প্রায় ২০০টি মতো বইমেলা স্পেশাল বাস চালাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বইমেলার খুঁটিনাটি

এবার কিছুটা আগেই শুরু হতে চলেছে কলকাতা বইমেলা। ৪৭তম আন্তর্জাতিক বইমেলা এবার শুরু হচ্ছে আগামী ১৮ জানুয়ারি। শেষ হবে আগামী ৩১ জানুয়ারি। গোটা বইমেলার মধ্যে পাঠকরা দুটি শনিবার এবং দুটি রবিবার পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি, ২৩ জানুয়ারি এবং ২৬ জানুয়ারির ছুটি দুটিও মেলা ঘুরে দেখার সুযোগ পাবেন। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার কথা ভেবেই এবার মেলার দিনক্ষণ কিছুটা এগিয়ে এনেছে গিল্ড।

পরিবহণের কী ব্যবস্থা?

রাজ্যের পরিবহণ দফতর জানিয়েছে, বইমেলা প্রাঙ্গণ থেকে মোট ২০০টি বাসের ব্যবস্থা থাকবে। কলকাতার মোট ১৮টি জায়গায় পৌঁছে দেবে এই বাস। শিয়ালদহ, হাওড়া স্টেশন, পর্ণশ্রী, শকুন্তলা পার্ক, ঠাকুরপুকুর, গড়িয়া, কামালগাজি, টালিগঞ্জ মেট্রো, বারাসত, বালিহল্ট, বারুইপুর, ব্যারাকপুর, যাদবপুর, সাঁতরাগাছি, উল্টোডাঙা, রথতলা, বেলগাছিয়া এবং ডানকুনি পর্যন্ত বাস পরিষেবা পাবেন যাত্রীরা। সংশ্লিষ্ট স্থান থেকে যাত্রীদের বাসে বইমেলায় নিয়ে আসার ব্যবস্থা থাকবে।

বাস স্ট্যান্ডের ব্যবস্থা

সল্টলেকের করুণাময়ী এবং ময়ূখ ভবনের কাছে দুটি বাস স্ট্যান্ড করা হচ্ছে। বিকেল ৩টে থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত সেখানে বাসের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। স্বাভাবিক ভাবেই, মেলা শুরু এবং শেষের সময় বাস পরিষেবা ব্যবহারের সুযোগ পাবেন সকলেই। বাস পরিষেবা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানানোর জন্য প্রচারের ব্যবস্থা থাকছে। বিধাননগর পুলিশ এক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। বাসের পাশাপাশি অনেকেই অ্যাপ ক্যাব বুক করে যাতায়াত করতে চান। তাঁদের জন্যও থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা। ময়ূখ ভবনের পিছনে বিধাননগর সুইমিং পুলের কাছে অ্যাপ ক্যাবের স্ট্যান্ড করা হচ্ছে ।

গঙ্গাসাগর ও বইমেলায় প্রিপেড অ্যাপ-ক্যাব বুথ
বইমেলা সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য

এ বছর বইমেলার থিম কান্ট্রি হল ব্রিটেন। ব্রিটেন ছাড়াও থাকছে অন্যান্য দেশের স্টল। অস্ট্রেলিয়া, পেরু, কলম্বিয়া, থাইল্যান্ড, ইতালি, স্পেন, বাংলাদেশের স্টল থাকছে বইমেলায়। এছাড়াও প্রায় ১২ বছর পর এবার বইমেলায় জার্মানির স্টল থাকছে। গত বছর বইমেলায় প্রায় ২৫ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল। এবার সেই রেকর্ড ছাপিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ছুটির দিন সংখ্যা বেশি থাকায় মেলায় ভিড় অনেকটাই বেশি হবে বলেও মনে করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version