তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ‘সমঝোতার’ কোনও লক্ষণ নেই কংগ্রেসের। বহরমপুর কেন্দ্রেও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রার্থী দেওয়ার ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন আবহে এবার রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রায় সিপিএমকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান হল কংগ্রেসের তরফে। আমন্ত্রণ জানিয়ে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের কাছে ফোন গিয়েছে বলেও জানতে পারা যাচ্ছে।

দ্বিতীয় পর্বের ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু করতে চলেছেন রাগা। দ্বিতীয় পর্বের নতুন নামকরণ হয়েছে ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’। দেশের পশ্চিম থেকে পূর্বে এই যাত্রার আয়োজন করা হচ্ছে। এবার যাত্রাপথে সামিল পশ্চিমবঙ্গ।

উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিকবার কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে বলতে শোনা গিয়েছে, বামেদের সঙ্গে রাজ্যে হাত মেলাতে আপত্তি নেই তাঁর। এর আগেও বিধানসভা নির্বাচনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছে বাম ও কংগ্রেস। সেই সমীকরণের পুনরাবৃত্তি করার পক্ষপাতী তিনি। তবে তৃণমূলের সঙ্গে নৈব নৈব চ। আসন সমঝোতার ব্যাপারে রাজ্য কংগ্রেসের তরফে একাধিবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ উড়ে এসেছে। এবার সরাসরি এই যাত্রায় সিপিএমকে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব এল কংগ্রেসের তরফে। যদিও এই ব্যাপারে সিপিএমের তরফে এখনও সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি। ইন্ডিয়া জোটের সমীকরণে রাজ্যে তৃণমূলের সঙ্গে এক ছাতার তলায় অধীর চৌধুরীরা হাঁটতে না চাইলেও সিপিএমকে কাছে টানার বার্তা দিতেই ভারত জোড়ো যাত্রায় বামেদের আহ্বান করা হচ্ছে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলে।

কংগ্রেস সূত্রে খবর, আগামী ১৪ জানুয়ারি মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল থেকে এই যাত্রা শুরু হয়েছে। মণিপুর থেকে ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ শুরু করবেন রাহুল গান্ধী। এরপর সেখান থেকে অরুণাচল প্রদেশ, অসম, পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ১৫টি রাজ্যের ১১০টি জেলার উপর দিয়ে যাবে এই যাত্রা। মোট ৬৭ দিন ধরে এই যাত্রা শেষ হবে মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ে। ৬৭০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবেন রাহুল গান্ধী। ভারত জুড়ে গোটা যাত্রাপথে মধ্যে ১০০টি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Rahul Gandhi : ২৫ তারিখ রাজ্যে ঢুকছে ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা, কোন রুটে এগোবেন রাহুল?
পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে মোট ৭টি জেলার উপর দিয়ে ৫২৩ কিলোমিটার পথ হাঁটবেন রাহুল গান্ধী। রাজ্যে কোচবিহার জেলার বক্সিরহাটে থেকে যাত্রা শুরু হয়ে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ হয়ে যাবে বিহারের পথে।’ লোকসভা নির্বাচনের আগে রাহুল গান্ধীর এই যাত্রা রাজ্যের কংগ্রেস কর্মীদের অনেকটাই উজ্জীবিত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version