এই সময়: স্বাস্থ্যসাথীতে অর্থোপেডিক অপারেশন করার ক্ষেত্রে আগেই বেসরকারি হাসপাতালকে ব্রাত্য করা হয়েছিল। একমাত্র ছাড় ছিল ইমার্জেন্সি ক্ষেত্রে। এবার সেই ছাড়ও রদ করা হলো। একটি আদেশনামা মারফৎ স্বাস্থ্য দপ্তর সম্প্রতি জানিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত হাড়ের চিকিৎসা স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের অধীনে বেসরকারি হাসপাতালে করাতে গেলেও পোড়াতে হবে বিস্তর কাঠখড়।

দুর্ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরকারি হাসপাতাল থেকে মেলা চিকিৎসা নথি জমা দিয়েই একমাত্র বেসরকারিতে পরিষেবা পাওয়া সম্ভব হবে। এবং সরকারিতে সেই অপারেশন না হলে তবেই তা করা যাবে বেসরকারি হাসপাতালে। একই সঙ্গে আহত ব্যক্তিকে দুর্ঘটনার পুলিশি প্রমাণও দাখিল করতে হবে স্বাস্থ্যসাথী পোর্টালে।

প্রশ্ন উঠছে, দুর্ঘটনা ঘটলে মানুষ আগে হাসপাতালে ছুটবেন, না আগে পুলিশের কাছে? বিশেষ করে তা যদি বাড়িতে হয়? এক্ষেত্রে রোগী যদি সরকারি হাসপাতালে পরিকাঠামোগত কারণে ভর্তি হতে না পারেন, তখন বেসরকারিতে যেতে কোনও বাধা নেই। চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, নতুন নিয়মের রূপরেখা এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বেসরকারি হাসপাতালে অর্থোপেডিক রোগী সহজে স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা না পান।

তাঁরা জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্যসাথীতে হাড়ের চিকিৎসা নিয়ে এর আগেও একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছিল স্বাস্থ্য দপ্তর। কিন্ত তার পরেও সরকারি চিকিৎসক-সহ স্বাস্থ্য-ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত একশ্রেণীর অসাধু ব্যক্তির আঁতাঁতে এমন একটি চক্র চলছে, যেখানে সরকারি হাসপাতালে পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও বেসরকারিতে রোগী নিয়ে যাওয়া বন্ধ হয়নি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version