Section 144 in Sandeshkhali : ফের সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা। তবে মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে ধাক্কা খাওয়ার পর এবার নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় জারি করা হল ১৪৪ ধারা। সন্দেশখালির ১৯টি জায়াগয় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। গতকাল ১৩ তারিখ রাত ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত জারি থাকবে ১৪৪ ধারা। ১৯ তারিখ থেকে তা তুলে নেওয়া হবে বলেই আপাতত জানান হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। নতুন করে এই ১৪৪ ধারা জারি করার ঘটনায়, চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সন্দেশখালিজুড়ে।

এদিকে বসিরহাটে এসপি এফিসের সামনে ধরনার ঘটনায় রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজদুমদার ও দলের অন্যান্য নেতা কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়। ধরনা মঞ্চ থেকে গ্রেফতার করে বসিরহাট BSSA স্টেডিয়ামের আনা হয় তাঁদের। ১২টা ৩০ নাগাদ তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু গ্রেফতার করার পর থানায় না নিয়ে গিয়ে বসিরহাট স্টেডিয়ামে কেন আনা হলো তাই নিয়ে উঠতে শুরু করে প্রশ্ন। তারপর রাত ১টা ২৫ মিনিটে বন্ডে সই করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

আজ ফের সন্দেশখালিতে যাওয়ার কথা রয়েছে সুকান্ত মজুমদারদের। পুলিশের কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে গতকাল রাতে টাকির একটি হোটেলে রাত্রিযাপন করেন সুকান্ত। বুধবার টাকির ওই হোটেলেই সরস্বতী পুজো করার কথা ছিল বিজেপির রাজ্য সভাপতির। সেইমত সব আয়োজনও করা হয়। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত হয় জলপথে দেবী সরস্বতীকে নিয়ে সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দেওয়া হবে। যদি সন্দেশখালিতে পৌঁছতে পারেন তাহলে সেখানেই পুজো হবে। আর পথে যদি পুলিশ কোথাও আটকে দেয় তাহলে সেই জায়গাতেই বাগদেবীর আরাধনা করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

এদিকে সুকান্ত মজুমদার টাকির যে হোটেলে রয়েছেন সেখানে প্রচুর পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ পর্যটকদের একাংশের অসুবিধা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। এই প্রসঙ্গে পুলিশের সমালোচনা করে সুকান্ত প্রশ্ন তোলেন, ‘আমরা কি পুলিশকে মেরে পিটিয়ে চলে যাব? আমরা এ কে ৪৭ নিয়েও আসিনি, যে পুলিশকে গুলি করব। সাধারণ মানুষ আসবে যাবে, তার মাঝে আমাকে যদি বেরোতে না দেয়, আটকে দেবে, সাধারণ মানুষকে আটকানোর কী আছে? মানুষকে এত ভয় কেন পুলিশ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?’ তবে সুকান্ত মজুমদার সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দিলে আজ ফের নতুন করে উত্তেজনা ছড়াতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ। অন্যদিকে এদিন সন্দেশখালিতে ঢুকতে গিয়ে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয় ‘সেভ ডেমেক্রেসি’ও।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version