মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, ‘আগে টার্গেট শেখ শাহজাহান। ওকে টার্গেট করে ইডি ঢুকল। তারপরেই সবাইকে বের করে দিয়ে আদিবাসী-সংখ্যালঘুদের মধ্যে ঝগড়া লাগিয়ে দিল। কারও কোনও ক্ষোভ বিক্ষোভ থাকতেই পারে, যদি তাকে সরকার সিদ্ধান্ত নেমে, আমাদের তো মহিলা দল আছে ওখানে। পুলিশেরও একটা মহিলা দল আছে, ঘরে ঘরে যাচ্ছে, কার কী অভিযোগ শুনছে। শুনে এসে রিপোর্ট করার পর যদি কারও সমস্যা থাকে সেটা নিয়ে নিশ্চয় আমরা কাজ করব। আগে তো আমায় জানতে হবে ব্যাপারটা কী। সন্দেশখালি আজকে নতুন নয়, ওখানে আরএসএস-এর একটা বাসা আছে।’
অন্যদিকে এদিন চোপরার ঘটনা নিয়ে বিএসএফ-কেও নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএসএফ-এর কাজ কী? সীমান্ত পাহাড়া দেওয়া। চোপড়ায় ৪টি বাচ্চা মারা যায়, আজ মাননীয় রাজ্যপালের কাছে আমাদের দল গিয়েছিল। এখানে ওরা ৩৩৪টি দল পাঠিয়েছে, তাহলে চোপড়ায় যদি ৪টি শিশু মারা যায়, শিশুদের জীবনের কী কোনও দাম নেই? সেই বিএসএফ-এর আমি শাস্তি চাই, যাদের জন্য বাচ্চাগুলো মারা গিয়েছে। কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকে। বিএসএফ আর কী করে বেড়াচ্ছে? আমাকে একজন বিধায়ক অভিযোগ করেছেন, তার বিধানসভা এলাকায়, একটা মসজিদ আছে, ইমামকে টেনে হেঁচড়ে বের করেছে মুর্শিদাবাদে। এলাকায় এলাকায় গিয়ে গেরুয়া রঙের প্যাকেটে জিনিস বণ্টন করছে। কে তোমরা? তোমার কাজ সীমান্ত পাহাড়া দেওয়া, তোমার কাজ বিজেপির ক্যাম্প করা নয়। ভোটের আগে বিজেপির ক্যাম্প করছে বিএসএফ, এর জবাব কারা দেবে?’
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েও বারংবার বিএসএফ-কে নিশানা করতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়তে। বিএসএফ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে আলাদা করে পরিচয়পত্র দিচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। আর তাই মানুষকে সেই পরিচয়পত্র না নেওয়ার পরামর্শ দিতেও দেখা যায় মমতাকে।