এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, এই বহরমপুর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা দীর্ঘদিনের সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরীর নিজস্ব গড় বলে পরিচিত। এই এলাকাকে হাতের তালুর মতো চেনেন অধীর। তাঁর অনুগামীরা বলেন, বহরমপুরের মানুষের সঙ্গে এক আন্তরিক যোগাযোগ রয়েছে অধীর চৌধুরীর। গত লোকসভা নির্বাচনে প্রবল গেরুয়া হাওয়ার মধ্যেও নিজের গড় বাঁচাতে সক্ষম হয়েছিলেন অধীর। রীতিমতো মাটি কামড়ে পড়ে থেকে আরও একবার ছিনিয়ে এনেছিলেন জয়। যদিও এবারে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেও, সেখানে পশ্চিমবঙ্গের কোনও আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেনি কংগ্রেস। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের বেশিরভাগই মনে করছেন, এবারেও বহরমপুর থেকেই টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল অধীরের। আর সেটাই যদি বাস্তবে হয়, তাহলে ইউসুফকে কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়তে হবে বলেই মনে করছেন অনেকে।
ইউসুফকে প্রার্থী করার বিষয়ে অধীর চৌধুরী বলেন, ‘ইউসুফ পাঠানকে সম্মানিত করার থাকলে তাঁকে রাজ্যসভার টিকিট দিয়ে সাংসদ করা যেতে পারত, বা ইউসুফকে পাঠানকে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভালো কোনও ভাবনা থাকলে, গুজরাটে জোটের থেকে একটি আসন চেয়ে নিতে পারতেন। কিন্তু ওনাকে একটা কারণেই পাঠান হয়েছে, যাতে বিজেপির সুবিধা হয় ও কংগ্রেস হারে।’ অধীর চৌধুরীর এই মন্তব্যকে ঘিরে অবশ্য ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।