Apollo Hospitals: ফুসফুসে ক্ষত! শহরে আইএলডি ক্লিনিক – apollo hospital set an example to introduced first ild clinic in east india


এই সময়: ফুসফুসে স্থায়ী ক্ষতচিহ্ন। আর তার জেরেই শ্বাসকষ্ট। আয়ু কমে মাত্র তিন বছরে সীমিত! অসুখটার নাম ইন্টারস্টিশিয়াল লাং ডিজ়িজ় (আইএলডি)। অথচ রোগটা পেকে ওঠার বহু আগে থেকেই টানা শুকনো কাশির লক্ষণ থাকে। কিন্তু এ নিয়ে সচেতনতা ও যথাযথ চিকিৎসার অভাবেই প্রাণ বিপন্ন হয় বহু রোগীর। রোগটাও বর্তমানে ঊর্ধ্বগামী। পরিস্থিতির মোকাবিলায় বিভিন্ন শাখার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একছাতার তলায় এনে এবার পূর্ব ভারতের প্রথম আইএলডি ক্লিনিক চালু করলো অ্যাপোলো হাসপাতাল। আশা, এতে বহু গুরুতর অসুস্থ ফুসফুস রোগীর প্রাণ বাঁচবে।

ফুসফুস রোগ বিশেষজ্ঞদের কথায়, আইএলডি অসুখের একেবারে প্রাথমিক লক্ষণ হলো লাগাতার শুকনো কাশি, হাঁফ ধরা ও ক্লান্তি। তাড়াতাড়ি ধরা পড়লে রোগটির অবনতি অনেকাংশে ঠেকানো যায়। কিন্তু সারানো যায় না। আর দেরিতে ধরা পড়লে, বিশেষ কিছুই করার থাকে না চিকিৎসকের। নগণ্য কিছু ক্ষেত্রে বড়জোর ফুসফুস প্রতিস্থাপন করে শেষ চেষ্টা করা যেতে পারে। কেননা, রোগটির যখন অবনতি হয়, তখন তা হয় অতি দ্রুত। যে কোনও সংক্রমণ, ধূমপান অথবা দূষণের জেরে অ্যালার্জি কিংবা অটো-ইমিউন কোনও অসুখ-বিসুখ থেকেও আইএলডি রোগটির বীজ বপন হয়ে যেতে পারে।

অ্যাপোলো কর্তৃপক্ষ জানান, তাঁদের আইএলডি ক্লিনিকের বৈশিষ্ট্য হলো, এটি একটি ‘মাল্টিডিসিপ্লিনারি’ ধাঁচে চলবে। অর্থাৎ, এই ক্লিনিকে থাকবেন বিভিন্ন শাখার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাঁরা একটি টিম হিসেবে রোগীর চিকিৎসা করবেন। এর মধ্যে থাকবেন ফুসফুস ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিশেষজ্ঞ, রেডিয়োলজিস্ট, রিউম্যাটোলজিস্ট, রিহ্যাব স্পেশ্যালিস্ট, থোর‌াসিক সার্জেন এবং দক্ষ নার্স। একাধিক বিশেষজ্ঞের মধ্যে মত বিনিময়ের ফলে, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা অনেক বেশি অব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

Virus Infection : ঋতু বদলের দাপটে বদলাচ্ছে কণ্ঠস্বর

কেননা, আইএলডি হলো ফুসফুসের এমন এক অস্বাভাবিক অবস্থা যখন ফুসফুস ফুলে যায় ও সেখানে ক্ষতচিহ্নের স্থায়ী দাগ সৃষ্টি করে। লাগাতার কাশি ও শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্রমবর্ধমান অসুবিধা এই অসুখের খুব সাধারণ লক্ষণ। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কারও আইএলডি মৃদু হতে পারে। ধূমপান বন্ধ করার মতো সহজ উপায়ে তখন অবস্থার উন্নতি সম্ভব। আবার, এই অসুখ বেশ জটিলও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে, উপসর্গগুলি আরও প্রকট হয়ে যাওয়ার ফলে অবস্থার অবনতি ঘটতে পারে আরও। সেই সব রোগীর অবনতি ঠেকানো এবং যথাসম্ভব স্বাভাবিক জীবনযাপনে সহায়ক হয়ে উঠবে এই ক্লিনিক।

অ্যাপোলোর পূর্বাঞ্চলীয় সিইও রাণা দাশগুপ্ত বলেন, ‘অনেক সময়ে আইএলডি রোগীদের ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ে ভুল হয়ে যায়। তাই এই রোগকে প্রতিরোধ করার জন্য চাই বাড়তি সচেতনতা এবং মাল্টিডিসিপ্লিনারি অ্যাপ্রোচ। আইএলডি রোগীদের চিকিৎসা ও সঙ্কটাপন্ন রোগীদের ম্যানেজমেন্ট এই ক্লিনিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
পালন করবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *