পরের দিনও ফের জনসভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ৫ এপ্রিল তুফানগঞ্জের নাগুরহাটে জনসভা করবেন তিনি। এরপরে ১২ এপ্রিল দিনহাটার বিধানসভার সংহতি ময়দানে ও ১৫ এপ্রিল কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভার সাহেবেরহাটে হবে মুখ্যমন্ত্রীর জনসভা৷ ৮ এপ্রিল থেকে দু’দিন পদযাত্রা করবেন অভিনেতা দেব। এছাড়াও জানা গিয়েছে, ফের ১৩ এপ্রিল সিতাইয়ে পদযাত্রা ও ১৬ এপ্রিল গোপালপুরে জনসভা করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এ দিকে, বিজেপি শিবিরও প্রধানমন্ত্রীর জনসভার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিয়ে বুধবার দিনভর ব্যস্ত ছিল। রাসমেলা মাঠে প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল পরিদর্শন করেছেন বিজেপির লোকসভা নির্বাচনের সাংগঠনিক পর্যবেক্ষক মঙ্গল পান্ডে, সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী-সহ জেলার বিজেপি বিধায়করা৷
বিজেপির লোকসভার প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক বলেন, ‘কোচবিহারে জনসভায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। দলের কর্মীরা উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী কী বার্তা দেন, তা শোনার জন্য৷ তিনিই একমাত্র প্রধানমন্ত্রী, যিনি গত পাঁচ বছরে তিনবার এসেছেন কোচবিহারে।’
কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের হারানো আসন ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তৃণমূল শিবির। অন্য দিকে, নিজেদের জেতা আসন ধরে রাখাও বড় চ্যালেঞ্জ বিজেপির কাছে৷ এবার লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সিতাই কেন্দ্রের বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়াকে ভরসা করেছে দল। অন্য দিকে, গত লোকসভা নির্বাচনে সত্তর হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক এবারও বিজেপির টিকিট পেয়েছেন।
কোচবিহার লোকসভা নির্বাচন তাই জগদীশ-নিশীথ দু’জনের প্রেস্টিজ ফাইট। প্রায় ১৪ জন প্রার্থী এই লোকসভা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও লড়াই হবে বাম-কংগ্রেস প্রার্থী-সহ চতুর্মুখী। তবে রাজনৈতিক মহলের অনুমান, এই লোকসভা কেন্দ্রে জোর টক্কর মূলত ঘাসফুল আর পদ্মের৷