লোকসভা নির্বাচনের মুখে ফের উত্তেজনা খড়গপুরে। এক তৃণমূল নেতাকে মারধর করার অভিযোগ। এমনকি, শূন্যে গুলি ছোড়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। আহত তৃণমূল নেতা বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।রেল শহর খড়্গপুরে সাত সকালে প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীকে লাঠি, রড দিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল। মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে শূন্যে গুলি চালানোর অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ভর্তি করা হলো খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে। গোটা ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে খড়গপুরের মথুরাকাটি টিবি হাসপাতালে সামনে মেয়েকে স্কুল ছেড়ে বাইকে করে ফিরছিলেন রণজিৎ সিক্রে। বাড়ি ফেরার পথে তার পথ আটকায় জনা কয়েক দুষ্কৃতী। এরপরই লাঠি রড নিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়েই খড়গপুর হাসপাতালে এসে পৌঁছন খড়গপুর পুরসভার পুর প্রধান কল্যাণী ঘোষ সহ তৃণমূল নেতৃত্ব। কেন এমন ঘটনা তা খতিয়ে দেখুক পুলিশ বলে জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। লোকসভা নির্বাচনের আগে যাতে এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে সে ব্যাপারে আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

খড়গপুর পুরসভার পুর প্রধান কল্যাণী ঘোষ জানান, আগে খড়গপুর দুষ্কৃতীদের আস্তানা ছিল। তবে এখন খড়গপুর শহরের অনেকটাই পরিবর্তন ঘটেছে। আজকে এই ছেলেটিকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে, সেটা দুর্ভাগ্যজনক। প্রশাসনকে আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য আবেদন করেছি। অন্যদিকে, আক্রান্ত রনজিৎ বলেন, ‘ফেরার পথেই আমাকে কয়েকজন ঘিরে ধরে। আমাকে লোহার রড, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। এরপর শূন্যে গুলি চালিয়ে ওরা পালিয়ে যায়। কেন এমন করল বলতে পারব না।’ এই ঘটনার পেছনে কোনও রাজনৈতিক অভিসন্ধি আছে কিনা, বা পেশাগত কোনও শত্রুতার কারণে এই আক্রমণের ঘটনা, বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

খুলল তেলের ট্যাঙ্কারের কাপলিং, খড়গপুর-মেদিনীপুর শাখায় ভোগান্তি
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই নদিয়া জেলায় থানারপাড়া থানা এলাকার মোক্তারপুর গ্রামে এক তৃণমূল কর্মীকে হত্যার অভিযোগ ওঠে। নিহত তৃণমূল কর্মীর নাম সাইদুল শেখ। ওই তৃণমূল কর্মীকে তাঁর বাড়ির অদূরেই ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপায় দুষ্কৃতীরা। অস্ত্রের আঘাতে সেখানেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। রক্তাক্ত অবস্থায় ওই তৃণমূল কর্মীকে উদ্ধার করে নতিডাঙ্গা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version