এবার চাকরিহারাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চাকুলিয়ার সভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘যাঁদের কথা বলা হয়েছে চাকরি বাতিল করা হল, তাঁরা চিন্তা করবেন না, হতাশ হবেন না। কেউ জীবনের ঝুঁকি নেবেন না। আমরা সবাই আপনাদের পাশে আছি। যতদূর লড়াই করার আমরা লড়াই করব।’এদিন নাম না করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে তোপ দেগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘একজনকে দেখলেন না, বিজেপির টিকিটে ভোটে দাঁড়িয়ে গেল। এটা তাঁর অর্ডার ছিল। সুপ্রিম কোর্ট নতুন ডিভিশন বেঞ্চ করে আলোচনা করতে বলেছিল। কাকে নিয়ে নতুন ডিভিশন বেঞ্চ করবেন? বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। টোটাল রায়টাকে আমরা চ্যালেঞ্জ করছি। কারণ ২৬ হাজার চাকরি মানে প্রায় দেড় লাখ দুই লাখ পরিবার। বলছে আট বছর ধরে তাঁরা চাকরি করেছে, চার সপ্তাহের মধ্যে টাকা ফেরাতে হবে। এটা সম্ভব?’

চিন্তা করবেন না শিক্ষক শিক্ষিকারা এবং ছাত্রছাত্রীরা। আর কেউ না থাকলেও আমি আছি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আপনারা যাঁরা এই রায় দিচ্ছেন সারা জীবন যাঁরা চাকরি করেছেন তাঁদের টাকা যদি ফেরত দিতে বলা হয় তাঁরা পারবেন দিতে? … মানুষ আপনাদের সম্মান করে , আমরা আপনাদের সম্মান করি। বেকারের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি বিচারপতিকে নিয়ে কিছু বলছি না। কিন্তু, এই অর্ডারটা বেআইনি অর্ডার। এটা নিয়ে উচ্চ আদালতে যাচ্ছি। চিন্তা করবেন না শিক্ষক শিক্ষিকারা এবং ছাত্রছাত্রীরা। আর কেউ না থাকলেও আমি আছি। আরও দশ লাখ সরকারি চাকরি আমার প্রস্তুত। একটা BJP-র বিচারালয় হয়েছে, BJP PILকরলে বেল, অন্য কেউ করলে জেল। এটা বিচারপতিদের দোষ নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের দোষ। তাঁরা BJP-র লোক দেখে দেখে এখানে বসিয়েছেন। যাতে BJP-র পার্টি অফিস থেকে যা বলে দেয় তার ড্রাফটা করে দেন। ডিফামেশন করবেন? আমি তৈরি। মানুষের জন্য কথা বলার জন্য যদি আমাকে শাস্তি নিতে হয় আমি মাথা পেতে নেব। পরিবার বিপদে পড়লে পাশ থেকে সরে যাব না।’

‘এখানে মাংস, মাছ বন্ধ করতে পারবে না, আমি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার’, মালদা থেকে হুংকার মমতার

অর্থাৎ কলকাতা হাইকোর্টের চাকরি বাতিল সম্পর্কিত রায় নিয়ে রাজ্যের মনোভাব এদিন স্পষ্ট করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আইনি লড়াই জারি রাখার ইঙ্গিতও তাঁর কণ্ঠে। অন্যদিকে, ইতিমধ্যেই SSC জানিয়েছে এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তারা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version