জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বোমা ফাটালেন না তবে আগাম হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন। হাওড়ায় রোড শো করার পর নির্বাচনী সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে মুখোস খুলে দেব। বাংলার মা-বোনদের কীভাবে অপমান করছেন, কীভাবে বাংলাকে কলুষিত করছেন তা প্রকাশ করব। সব তথ্য আছে আমার হাতে। আমি কোনও বোমা ফাটাই না কোনও ডেট বলি না।

আরও পড়ুন-প্যানেল বহির্ভূত চাকরি ‘জালিয়াতি’, এসএসসি মামলায় সুপ্রিম প্রশ্নের মুখে রাজ্য!

অভিষেক বলেন কোনও ছাত্র যদি সারাবছর পড়াশোনা করে তাহলে তাকে টুকলি করে পরীক্ষায় পাস করতে হয় না। সারা বছর মানুষের পাশে ছিলাম এবং থাকব। বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যে আমার বিশ্বাস করি। বাংলা কর্ম বিশ্বাস করে। আমরা বাড়িতে, মন্দিরে ধর্ম করব, মসজিদে ধর্ম করব। কিন্তু ভোটে জেতার পর আমাদের একটাই লক্ষ্য সবার জন্য ভালো করা। ২০২৪ সালের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দিয়ে জেতানোর নির্বাচন নয় বরং ভোট দিয়ে এক স্বৈরাচারী শাসককে উত্খাত করার নির্বাচন। যে প্রধানমন্ত্রী ১০ বছর আগে বলেছিল আচ্ছে দিন আসবে আজ আচ্ছে দিনের নমুনা কী? কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী সভা করে বলেছেন, বিগত ১০ বছরে আমরা ট্রেলার দেখিয়েছি। এবার জিতলে এলে গোটা সিনোমাটা দেখাব। পিকচার আভি বাকী হ্য়য়া। আপনাদের জিজ্ঞাসা করতে চাই গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রীর ট্রেলারের নির্দশন কী? ৫০ টাকার পেট্রোল এখন ১০০ টাকা, ৪০০ টাকার রান্নার গ্যাস ১০০০ টাকা, ৫০ টাকার সর্ষের তেল ১৬০ টাকা লিটার, আড়াই টাকার ডিম ৭ টাকা। প্রধানমন্ত্রী বলছেন যারা মাছ খায় তারা হিন্দু বিরোধী। বাংলার ঐতিহ্য় এরা জানে না। তাই আমরা বিজেপিকে বাংলা বিরোধী বলছি। যিনি স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন তাঁর সামনে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা হয়েছিল। বাংলার ১ কোটি ৬৪ লক্ষ কতোটা টাকা আটকে রেখে দিয়েছে। কোচবিহারে বিজেপি নেত্রী দীপা চক্রবর্তী বলেছেন জিতলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেব। ওই নেতার বিরুদ্ধে কিছু বলেনি বিজেপি। এবার বাংলার সর্বশিক্ষা মিশনের টাকা, ১০০ দিনের টাকা বন্ধ করে দিয়েছে। এখন এরা চাইউছে লক্ষ্ণীরভান্ডার বন্ধ করতে। আমি আপনাদের বলতে চাই যতদিন তৃণমূল কংগ্রেস বাংলায় রয়েছে ততদিন লক্ষ্মীর ভান্ডারকে কেউ স্পর্শ করতে পারবে না। আধার ও প্যান কার্ড লিঙ্ক করার নাম করে ১০০০ টাকা নিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। আর দিদি আপানাদের দিচ্ছে। বাংলার মানুষের ৫০ লাখ মানুষের টাকা আটকে দিয়েছে এরা।

হাইকোর্টের রায়ে চাকরি গিয়েছে প্রয়া ২৬ হাজার শিক্ষকের। এনিয়ে অভিষেক বলেন, ন্যায্য চাকরিহারাদের পাশে রয়েছে সরকার। চাকরিৃহারাদের জন্য আইনি লড়াই চালানো হবে। যেসব যোগ্য়রা চাকরি পেয়েছেন তারা চিন্তা করবেন না। রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেস তাদের সঙ্গে কোমও বেঁধে লড়াই করবে। 

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version