প্রকাশিত হল মাধ্যমিকের ফল। এবারেও কলকাতাকে পিছনে ফেলে জেলার জয়জয়কার। ১ থেকে ১০-এর মেধা তালিকায় এবারে স্থান পেয়েছে মোট ৫৭ জন। এবারের ফলাফলে সার্বিকভাবে প্রথম এবং মেয়েদের মধ্যে প্রথম, উভয় স্থানই অধিকার করেছে জেলা পড়ুয়ারা। এবারের মাধ্যমিকে তৃতীয় হয়েছে মোট ৩ জন। তাদের মধ্যে রয়েছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র নৈঋতরঞ্জন পালও। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। এবারে তৃতীয় স্থান দখল করেছে মোট ৩ পরিক্ষার্থী, তাদেরই অন্যতম নৈঋত।এই বিষয়ে নৈঋত বলে, ‘এতটা সাফল্য আশা করিনি। অবশ্যই ভালো লাগছে।’ নিজের এই সাফল্যের নেপথ্যে সম্পূর্ণ কৃতিত্বই মিশন কর্তৃপক্ষকে দিয়েছে নৈঋত। বিশেষত মিশনের মহারাজ থেকে শুরু করে যাঁরা পড়ুয়াদের দেখাশোনা করেন, প্রত্যেককেই এই সাফল্যের কৃতিত্ব দিয়েছে সে। নৈঋত আরও জানাচ্ছে, দিনে সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা সে পড়াশোনা করত। তবে টেস্টের পরে অবশ্য পড়াশোনার সময়টা আরও একটু বাড়ে। মূলত ‘সেলফ স্টাডি’র থেকেই এই সাফল্য বলে জানায় সে। এই বিষয়ে সে জানায়, টিউটোরিয়ালের ব্যবস্থা থাকলেও মিশনে মূলত শ্রেণিকক্ষের শিক্ষকদের কাছে শেখা ও নিজের পড়াশোনার উপরেই বেশি করে জোর দেওয়া হয়।

পড়াশোনা ছাড়াও অবসর সময়ে গানবাজনা ও গল্পের বই পড়ার অভ্যাস রয়েছে নৈঋতের। তবে মোবাইলের নিয়ে সময় কাটানোর কোনও অভ্যাস তার নেই। নৈঋতের কথায়, ‘মোবাইলের কোনও ব্যবহার এখানে নেই।’ বরং বিকেলে খেলাধূলা মিশনে একদম নিয়মমাফিক চলে বলেই জানায় নৈঋত। এককথায় বলতে গেলে নিয়মিত পড়াশোনা ও অধ্যাবসায়ই যে সাফল্য একমাত্র চাবিকাঠি তা কার্যত স্পষ্ট নৈঋতের কথা থেকেই।

প্রসঙ্গত, এবারের মাধ্য়মিক পরীক্ষায় প্রথম ১০-এ রয়েছে মোট ৫৭ জন ছাত্রছাত্রী। মেধাতালিকায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে ৮ জন, দক্ষিণ দিনাজপুর, পূর্ব বর্ধমান ও পূর্ব মেদিনীপুর থেকে ৭ জন, বাঁকুড়া, মালদা এবং পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে ৪ জন, বীরভূম থেকে ৩ জন, উত্তর ২৪ পরগনা, কোচবিহার এবং হুগলি থেকে ২, আর নদিয়া, হাওড়া পুরুলিয়া ও কলকাতা থেকে ১ জন পড়ুয়া রয়েছে। পরীক্ষায় ৬০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৪১১ জন। এবারের মাধ্যমিকে পাশের হার সবচেয়ে বেশি উত্তরবঙ্গের কালিম্পংয় জেলায়। পাশের হারে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর এবং তৃতীয় স্থানে কলকাতা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version