মঙ্গলবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘কেন সুপারনিউমেরিক পোস্ট তৈরি করতে চাওয়া হয়েছিল?’ এর জবাবে রাজ্য জানায়, এর নেপথ্যে রাজ্যের কোনও খারাপ অভিসন্ধি ছিল না। গত শুনানিতে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীর চাকরি বাতিলের নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। স্বাভাবিকভাবেই মঙ্গলবারে সর্বোচ্চ আদালত ঠিক কী নির্দেশ দেয় সেই দিকে সব নজর ছিল। নিজেদের যোগ্য বলে দাবি করা চাকরিহারাদের একাংশের কথায়, সুপ্রিম কোর্টের দিকে তাঁরা তাকিয়ে রয়েছেন। ন্যায়বিচারের আশা করছেন তাঁরা।
ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের এই সংক্ষিপ্ত রায়ের পর খুশির হাওয়া চাকরিহারা শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের মধ্যে। তাঁদের একাংশের কথায়, ‘কিছু অযোগ্যদের জন্য যাতে যোগ্যদের ভুগতে না হয়। সুপ্রিম কোর্ট ন্যায় বিচার করবে এই আশা করেছিলাম। আপাতত এই সংক্ষিপ্ত রায়ে আমরা স্বস্তি পেয়েছি। ১৬ জুলাইয়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছি।’
এদিন সুপ্রিম কোর্টের সংক্ষিপ্ত রায়ের পর একটি টুইট করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য এবং রাজ্য সরকারকে অস্থির করার জন্য BJP-র যে চেষ্টা তা খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সত্যের জয় হয়েছে। আমরা সকল প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত জনগণের পাশে দাঁড়াব। জয় বাংলা।’
এদিন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘চাকরি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী রায় ইতিবাচক।যোগ্য অযোগ্য নির্বিশেষে চাকরি খাওয়ার যে পৈশাচিক রাজনীতি চলছিল, তা আপাতত স্থগিত থাকল। CBI কে ইচ্ছেমত অপপ্রয়োগের যে চেষ্টা চলছিল, তাও আপাতত স্থগিতই। যারা যোগ্য, তাদের চাকরি সুরক্ষিত থাকুক। যারা অন্যায় করেছে, তারা চিহ্নিত হোক।’
