অন্য দিকে, কেএমডিএ সূত্রে খবর, সকাল-বিকেল অনেকেই পোষ্যদের নিয়ে সরোবরে আসেন। মল-মূত্রের কারণে সরোবরের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। তা ছাড়া অনেকেই পোষ্যকে খাবার খাওয়ান সরোবরে এসে। যার ফলেও চারপাশ নোংরা হচ্ছে। সে জন্যেই এই সিদ্ধান্ত। এর পাল্টা লাভ অ্যান্ড কেয়ার ফর অ্যানিম্যালস-এর অন্যতম কর্মকর্তা সুস্মিতা রায়ের প্রশ্ন, ‘প্রতিদিনই তো অনেক মানুষ সরোবরে ঢোকেন। তাঁদের জন্যে পরিবেশ দূষিত হয় না?
পোষ্যরাই সব কিছুর জন্য দায়ী?’ দীর্ঘদিন ধরে রবীন্দ্র সরোবরের পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে লড়াই করে আসছেন পরিবেশকর্মী সুমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অবশ্য মনে করেন, ‘খুবই ভালো সিদ্ধান্ত প্রশাসনের। তবে নির্দেশিকা টাঙিয়ে দিলেই হবে না। নির্দেশ বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা, সে দিকেও নজর দেওয়াটা জরুরি।’ কেএমডিএ’র তরফে জানানো হয়েছে, পোষ্য নিয়ে যাতে কেউ ভিতরে ঢুকতে না পারেন, সে জন্যে সরোবরের সব কর্মীকে বলা হয়েছে বাড়তি নজরদারির জন্যে। স্থানীয় থানাকেও সতর্ক করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এর আগে রবীন্দ্র সরোবরে ছট পুজো নিষিদ্ধ করেছিল জাতীয় পরিবেশ আদালত। রবীন্দ্র সরোবরে যাতে কোনও ভাবেই ছট পুজো না হয়, সেই ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রাজ্য সরকারকে। ছট পুজো করলে সরোবরের জল দূষিত হচ্ছে, এই মর্মে পুজো নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। এই নিয়ে একাধিকবার বিতর্কও হয়েছে। সম্প্রতি দায়ের হওয়া আরেকটি মামলার রায়ে পরিবেশ আদালত জানায়, সরোবরে পুজো বা অন্য কোনও অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ হলেও পরিবেশবিধি মান্য করে যজ্ঞ করতে অসুবিধা নেই।