হুগলি সাংগঠনিক জেলার বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে তুমুল হট্টগোল। বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের কিছু ভিডিয়ো (যাচাই করেনি এই সময় ডিজিটাল) সামনে এসেছে। ভোটের মুখে কর্মীদের মধ্যে মতবিরোধ নিজে হাতে সামলালেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। যদিও, বিজেপির অন্দরের কোন্দল নিয়ে কটাক্ষ তৃণমূল কংগ্রেসের।বিজেপি সূত্রে খবর, গতকাল সন্ধ্যায় বিজেপি হুগলি সাংগঠনিক জেলা অফিস চুঁচুড়ায় বুথ স্তরের সভাপতিদের নিয়ে মিটিং ছিল। সপ্তগ্রাম বিধানসভার বুথ সভাপতিদের একাংশ বিক্ষোভ দেখায়। তাঁদের কয়েকজনকে নির্বাচনের দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে বিরোধ দেখানো শুরু করেন তাঁরা। তুমুল হট্টোগোল শুরু হয়। সামাল দিতে আসরে নামতে হয় বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে।

তুমুল হট্টগোল থামাতে লকেট চট্টোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, ‘সবার সমস্যার সমাধান করা হবে। কিন্তু এই সময় চিৎকার চেঁচামিচি করলে এগুলো বাইরে যাওয়ার সম্ভাবনা আমরাই করে দিচ্ছি। ভিডিয়ো তুলে মিডিয়ার কাছে দেওয়ার মতো কাজ হচ্ছে। এগুলো সব বন্ধ করো। এরপরেও যদি কেউ করে থাক, তাহলে বুঝবো দলেক তোমরা ভালোবাসো না, নিজেদের কথা ভাবছো।’

দলের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব থামাতে লকেটকে এও বলতে শোনা যায়, ‘ক্ষতি করার হলে করো, কিন্তু কাউকে কোথাও সরানো হবে না। সমস্যা থাকলে সেটা মেটানো হবে।’ ভোটের পর এই ধরনের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে দলীয় বৈঠকে আশ্বাস দেন তিনি।

তবে, বিজেপির মধ্যে এই অন্তর্কলহ নিয়ে চরম কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের বিধায়ক অসীমা পাত্র বলেন, ‘বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসকে চোর বলে। আর বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি যাঁকে লকেট চট্টোপাধ্যায় নিয়ে ঘোরেন, তাঁর বিরুদ্ধে সরব দলেরই নেতৃত্ব।’ অন্যদিকে, বিজেপি সভাপতি তুষার মজুমদার এবিষয়ে বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কি হয়েছে সেটা তৃণমূল কংগ্রেস জানে না। ওঁরা নিজের মতো করে বলছেন। ওঁরা প্রমাণ করতে পারবে জেলা সভাপতি কারও কাছে হাত পেতে চাঁদা নিয়েছে।’

‘সন্দেশখালির বেলুন ফুটো হয়ে গিয়েছে’, BJP-কে দশ গোল দেওয়ার ডাক অভিষেকের
তাঁর কথায়, ‘ক্ষোভটা কিছু নয় ওদের কনভেনার হয়তো ডাকেনি। তাই তাঁরা বলেছেন। ক্ষতির আশঙ্কা নেই। আমরা নিঃস্বার্থে বিজেপি করি। দলের কর্মীরা দলের ক্ষতি হোক তা চাইবে না। আমাদের মধ্যে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই।’ উল্লেখ্য, এবার হুগলি লোকসভা নির্বাচনে জোর লড়াই বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version