এই হলফনামা মোতাবেক তরুণ এই বাম নেতার কোনও ব্যক্তিগত আয় নেই। তাঁর স্ত্রীরও কোনও আয় নেই। এই মুহূর্তে তাঁর হাতে রয়েছে ২৫০০ টাকা এবং তাঁর স্ত্রীর হাতে রয়েছে ৬০০০ টাকা। কোনও গয়না, গাড়ি সৃজনের নেই। কিন্তু, তাঁর অস্থাবর সম্পত্তি এবং ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স চোখ কপালে তোলার মতো।
তাঁর যাদবপুরের SBI ব্রাঞ্চে জমা রয়েছে ৮ লাখ ৫ হাজার, বালিগঞ্জ SBI-তে রয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫৬৯, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের কসবা ব্রাঞ্চে রয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৫৪৬। এছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে। তাঁর অস্থাবর সম্পত্তি কোটি টাকা ছাপিয়েছে। হলফনামা মোতাবেক তাঁর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৭১ হাজার ৮০ টাকা ৯৬ পয়সা এবং তাঁর স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৪ লাখ ১৭ হাজার ৮৮৬।
সৃজনের অবশ্য কোনও সোনা নেই। তাঁর গাড়িও নেই। নেই কোনও ঋণও। সৃজনের কোনও চাষযোগ্য জমি নেই। তাঁর কসবা এলাকাতে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১৫ লাখ, শান্তিনিকেতনে একটি বাড়ি আছে যার বাজারমূল্য প্রায় ২৬ লাখ। তাঁর মোট স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৪১ লাখ টাকা। তাঁর স্ত্রীর কোনও স্থাবর সম্পদ নেই। সৃজন হলফনামাতে নিজেকে সমাজকর্মী হিসেবে দেখিয়েছেন। ২০১৭ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে MA পাশ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, এবার যাদবপুরে তৃণমূলের প্রার্থী সায়নী ঘোষ। গতবার মিমি চক্রবর্তীকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছিল। এবার তাঁর জায়গায় এই কেন্দ্রে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখার গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সায়নীকে।
