এসএসসি-র ২০১৬-এর প্যানেল খারিজের প্রসঙ্গ টেনে মমতা বলেন, ‘কেন নির্বাচনের সময়ে ২৬ হাজার ছেলেমেয়ের চাকরি খেয়ে নিতে হয়? শুনুন, মানুষ যদি বিপদে পড়ে আমি ২৪ ঘণ্টা তাঁদের সঙ্গে থাকি। সে দিন আমি বলেছিলাম, এটা আমি হতে দেবো না। আমরা কৃতজ্ঞ সুপ্রিম কোর্টের কাছে।’
উচ্চ আদালতে যাওয়ার পাশাপাশি তিনি যে ঘর গুছিয়ে রাখতে চাইছেন, সেই বার্তাও দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য, ‘আপনি এ-তে খেলেছেন, আমি বি-তে খেলব। আপনি সি-তে খেলবার চেষ্টা করলে আমি জ়েডে খেলে আপনাকে দেখিয়ে দেবো। এই ভাবে ভাগাভাগি করবেন না। ওবিসি-র মধ্যে তো সবাই আছে। হিন্দু আছে, মুসলিম আছে, তফসিলি আছে, আদিবাসী আছে। সবাই আছে, সবাই থাকবে।’
হাইকোর্টের রায় নিয়ে সরব হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ভাঙড়ে তৃণমূলের নির্বাচনী সভায় অভিষেক বলেন, ‘হাইকোর্টের অর্ডারে সংখ্যালঘুদের সঙ্গে একাধিক তফসিলি গোষ্ঠীর ওবিসি সংরক্ষণ কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’ বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চের কথা উল্লেখ না-করে অভিষেকের মন্তব্য, ‘যে বিচারপতি শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দিয়েছিল, সেই বিচারপতির বেঞ্চই সংখ্যালঘু ও তফসিলিদের সংরক্ষণ কেড়ে নিয়েছে। এটা কাকতালীয় নয়।’
