২০১১-২০১৬ পর্যন্ত ঘাটশিলা, মুসাবনি, জামশেদপুর, পটকায় গ্রামে গ্রামে জোরকদমে কাজ করেন। প্রত্যন্ত এলাকার মহিলাদের কাছে ‘প্যাড-লেডি’ হয়ে উঠেছেন সোনামণি। বিয়ের সূত্রে পুরুলিয়ায় আসা। অতঃপর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটে জয়। তাঁকেই জঙ্গলমহলের ‘কণ্ঠ’ হিসেবে তুলে ধরছে সিপিএম। বছর পঁয়ত্রিশের সোনামণি হিন্দি, বাংলা ও সাঁওতালি ভাষায় বেশ সড়গড়।
ফলে প্রচারে মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে সমস্যা হচ্ছে না। ভোট প্রচারে তাঁর আস্তানা এখন ঝাড়গ্রাম জেলা সিপিএমের অফিস। সেখানে থেকেই দিনরাত প্রচার করছেন। তৃণমূল ও বিজেপিকে একই আসনে বসিয়ে তোপ দেগে সোনামণি বলছেন, ‘তৃণমূল ও বিজেপি দুই পার্টি একই। আজ বিজেপিতে তো কাল তৃণমূলে। তাই এদের মধ্যে আলাদা কিছু নেই। রাজ্যে তৃণমূল দুর্নীতির পাঁকে ডুবে গিয়েছে। আর বিজেপি সংবিধান পাল্টে দিতে চাইছে।
দু’দলই দেশের কাছে ভয়ানক বিপদ! আমাদের লড়াই দেশের সংবিধান বাঁচানোর। মানুষের মৌলিক অধিকার বাঁচানোর। তাই সাধারণ মানুষ বিকল্প হিসেবে আমাদেরই বেছে নেবেন।’
