এই সময়: এ যেন গলি থেকে হঠাৎ করে হাইওয়েতে! পঞ্চায়েত ভোটে জিতেই সরাসরি লোকসভার যুদ্ধে। তবে ঝাড়গ্রাম কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী সোনামণি টুডু ভোট ময়দানে আনকোরা হতে পারেন, রাজনীতিতে নতুন নন। পুরুলিয়া জেলা ডিওয়াইএফআই কমিটির সদস্য সোনামণি ২০২৩ সালে গ্রাম পঞ্চায়েত ভোটে কুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে সিপিএম প্রার্থী হিসেবে জেতেন। তাঁকেই লোকসভা ভোটে বেছে নিয়েছে পার্টি।ঘাটশিলা বিডিএসএল কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে চাইবাসা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাইকোলজিতে এমএ ২০১৬ সালে। কিন্তু তার আগেই ২০১৩ সালে ঝাড়খণ্ডের দলদলি গ্রামসভার নির্বাচনে জয়ী হন। সেখানে জল প্রকল্প ও স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে কাজ। আর সেটাকে হাতিয়ার করেই গ্রামে গ্রামে মহিলাদের নানা সমস্যার সমাধানের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েন সোনামণি।

২০১১-২০১৬ পর্যন্ত ঘাটশিলা, মুসাবনি, জামশেদপুর, পটকায় গ্রামে গ্রামে জোরকদমে কাজ করেন। প্রত্যন্ত এলাকার মহিলাদের কাছে ‘প্যাড-লেডি’ হয়ে উঠেছেন সোনামণি। বিয়ের সূত্রে পুরুলিয়ায় আসা। অতঃপর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটে জয়। তাঁকেই জঙ্গলমহলের ‘কণ্ঠ’ হিসেবে তুলে ধরছে সিপিএম। বছর পঁয়ত্রিশের সোনামণি হিন্দি, বাংলা ও সাঁওতালি ভাষায় বেশ সড়গড়।

ফলে প্রচারে মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে সমস্যা হচ্ছে না। ভোট প্রচারে তাঁর আস্তানা এখন ঝাড়গ্রাম জেলা সিপিএমের অফিস। সেখানে থেকেই দিনরাত প্রচার করছেন। তৃণমূল ও বিজেপিকে একই আসনে বসিয়ে তোপ দেগে সোনামণি বলছেন, ‘তৃণমূল ও বিজেপি দুই পার্টি একই। আজ বিজেপিতে তো কাল তৃণমূলে। তাই এদের মধ্যে আলাদা কিছু নেই। রাজ্যে তৃণমূল দুর্নীতির পাঁকে ডুবে গিয়েছে। আর বিজেপি সংবিধান পাল্টে দিতে চাইছে।

ভোটপ্রচারের মাঝে মহিলাদের স্বাস্থ্য নিয়ে প্রচারে ‘প্যাড ওম্যান’

দু’দলই দেশের কাছে ভয়ানক বিপদ! আমাদের লড়াই দেশের সংবিধান বাঁচানোর। মানুষের মৌলিক অধিকার বাঁচানোর। তাই সাধারণ মানুষ বিকল্প হিসেবে আমাদেরই বেছে নেবেন।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version