Mamata Banerjee,উদ্বাস্তু কলোনিতে নির্মাণ বন্ধে নোটিস অগোচরেই! অভিযোগ ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর, বিজ্ঞপ্তি বাতিলের আশ্বাস – mamata banerjee comments on refugee colony says i do not know


এই সময়: তাঁর অগোচরেই উদ্বাস্তু কলোনিতে নির্মাণ বন্ধ রাখতে নোটিস ইস্যু করা হয়েছে বলে জানালেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই নোটিস ইস্যু করার এক্তিয়ার ভূমি দপ্তরের। রাজ্যের এই দপ্তর মমতারই অধীনে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর মতামত ছাড়াই এমন বিজ্ঞপ্তি ইস্যু হয়ে যাওয়ায় প্রবল ক্রুদ্ধ মমতা। ভোট শেষ হলেই এই নোটিস বাতিলের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।যাদবপুর লোকসভার অন্তর্গত একাধিক বিধানসভায় প্রচুর উদ্বাস্তু কলোনি রয়েছে। কোনও কোনও কলোনি ৭০-৭৫ বছরের পুরোনো। এই কলোনি অঞ্চলে নির্মাণ-কাজ বন্ধ রাখার নোটিস জারি করা হয়েছে বলেই রবিবার যাদবপুরের বারোভূতের মাঠে তৃণমূলের নির্বাচনী সভায় জানান মমতা। তৃণমূলনেত্রী বলেন, ‘কিছু কিছু দুষ্টু লোক একটু দুষ্টুমি করছে। আমার কাছে কিছুক্ষণ আগে খবর এসেছে, কোনও একটা জায়গা থেকে উদ্বাস্তু কলোনিগুলির কাছে নোটিস গিয়েছে যে, আপনারা একতলা, দোতলা, তিনতলা, চারতলা বাড়ি সব স্টপ করে দিন। আমি বলছি, নির্বাচনের পর এই নোটিস আমি ক্যানসেল করে দেব।’ ক্রুদ্ধ মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, ‘আমিই জানি না, বাবুরা নোটিস দিয়ে বসে আছে! এর পাল্টা নোটিস কী ভাবে দিতে হয়, আমি দেখাব ভালো করে।’

যদিও বিজ্ঞপ্তিতে ঠিক কী নির্দেশ রয়েছে, তা খুব বিশদে বলেননি মমতা। কলকাতা পুরসভার আধিকারিকদের একাংশের বক্তব্য, গার্ডেনরিচে বহুতল ভেঙে পড়ার পর কলকাতার কিছু এলাকায় আপাতত বহুতল নির্মাণে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু গার্ডেনরিচ উদ্বাস্তু এলাকা নয়। মমতা এ দিন নির্দিষ্ট ভাবে উদ্বাস্তু কলোনির কথাই বলেছেন। ফলে এই নির্দেশিকা কী ভাবে ইস্যুড হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

মমতার কথায়, ‘এই সব সিদ্ধান্ত নিতে গেলে আমার সঙ্গে কথা বলে নিতে হয়। আমি মনে করি না এটা ববিও (ফিরহাদ হাকিম) জানে। কারণ এটা কলকাতার মেয়রের আওতায় নয়। এটা ভূমি দপ্তরের আওতায়। আমি নিজে ভূমি দপ্তর দেখি। অন্য কেউ দেখে না।’ সিএম বলেন, ‘আমি নিজে জানি না…সিপিএমের কোনও অফিসার এটা করেছেন। আমি তাঁর বিষদাঁত ভেঙে দেবো।’

উদ্বাস্তু কলোনিগুলিতে পাট্টা দেওয়ার কাজ অনেক দিন ধরেই চলছে। সেই জমিতে অনেকেই নির্মাণ-কাজ করছেন। নোটিস বাতিলের আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি কলোনি এলাকায় নির্মাণের ক্ষেত্রে প্ল্যান মেনে কাজের পরামর্শও দিয়েছেন মমতা। তিনি এ দিন বলেন, ‘আমি উদ্বাস্তু কলোনির ৯৯ শতাংশে পাট্টা দিয়েছি। শুধু আপনারা যখন বাড়ি ঘর করবেন, একটু প্ল্যানিং দেখে নেবেন। যাতে বাড়ি ঘরগুলো ভেঙে না পড়ে। আপনার বাড়ি ভেঙে পড়ে অন্য কেউ যাতে মারা না যায়। এটা আপনাদের সকলের নিজের নিজের দায়িত্ব।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *