যদিও বিজ্ঞপ্তিতে ঠিক কী নির্দেশ রয়েছে, তা খুব বিশদে বলেননি মমতা। কলকাতা পুরসভার আধিকারিকদের একাংশের বক্তব্য, গার্ডেনরিচে বহুতল ভেঙে পড়ার পর কলকাতার কিছু এলাকায় আপাতত বহুতল নির্মাণে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু গার্ডেনরিচ উদ্বাস্তু এলাকা নয়। মমতা এ দিন নির্দিষ্ট ভাবে উদ্বাস্তু কলোনির কথাই বলেছেন। ফলে এই নির্দেশিকা কী ভাবে ইস্যুড হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
মমতার কথায়, ‘এই সব সিদ্ধান্ত নিতে গেলে আমার সঙ্গে কথা বলে নিতে হয়। আমি মনে করি না এটা ববিও (ফিরহাদ হাকিম) জানে। কারণ এটা কলকাতার মেয়রের আওতায় নয়। এটা ভূমি দপ্তরের আওতায়। আমি নিজে ভূমি দপ্তর দেখি। অন্য কেউ দেখে না।’ সিএম বলেন, ‘আমি নিজে জানি না…সিপিএমের কোনও অফিসার এটা করেছেন। আমি তাঁর বিষদাঁত ভেঙে দেবো।’
উদ্বাস্তু কলোনিগুলিতে পাট্টা দেওয়ার কাজ অনেক দিন ধরেই চলছে। সেই জমিতে অনেকেই নির্মাণ-কাজ করছেন। নোটিস বাতিলের আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি কলোনি এলাকায় নির্মাণের ক্ষেত্রে প্ল্যান মেনে কাজের পরামর্শও দিয়েছেন মমতা। তিনি এ দিন বলেন, ‘আমি উদ্বাস্তু কলোনির ৯৯ শতাংশে পাট্টা দিয়েছি। শুধু আপনারা যখন বাড়ি ঘর করবেন, একটু প্ল্যানিং দেখে নেবেন। যাতে বাড়ি ঘরগুলো ভেঙে না পড়ে। আপনার বাড়ি ভেঙে পড়ে অন্য কেউ যাতে মারা না যায়। এটা আপনাদের সকলের নিজের নিজের দায়িত্ব।’