১৩১ বছর আগে কন্যাকুমারীর রকে ধ্যানে বসেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। এবার সেই ঐতিহাসিক স্থানেই ধ্যানে মগ্ন মোদী। এই জায়গাটিকে দুনিয়া চেনে ‘ধ্যান মণ্ডপম’ হিসেবে। বৃহস্পতিবার দেশের সপ্তম দফা ভোটের আগে তিরুঅনন্তপুরমের ভগবতী আম্মান মন্দিরে পুজো সেরে সেই পবিত্র স্থলে ধ্য়ানে বসলেন নরেন্দ্র মোদী।আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই ধ্যান নিয়ে তীব্র কটাক্ষ শোনা গিয়েছে বিরোধীদের কণ্ঠে। এবার সরব হলেন বহরমপুরের বিদায়ী সাংসদ তথা কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। ‘ভোট আর ভগবান মোদীর কাছে সমান সমান’, এই অভিযোগ তুললেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও বলেন, ‘ধ্যান করেন বা ভান করেন, কেউ জানে না।’

ঠিক কী বলেছেন অধীর?

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘রাম মন্দিরে তিনি একাই পুরোহিত হয়ে গিয়েছিলেন। মানুষ মেনে নেননি। ২০১৯ সালে কেদারনাথের গুহায় ধ্যানের ভান করেছিলেন। আবার তিনি ধ্যানে বসছেন। এটা ধ্যান না ভণ্ডামি। বিজেপি নেতারা নরেন্দ্র মোদীকে বিবেকানন্দের সঙ্গে তুলনা করেন। দুজনের নামেই নরেন্দ্র আছে। আমি প্রতিবাদ করেছিলাম সংসদে।’

মোদীকে তীব্র কটাক্ষ করতে শোনা গিয়েছে অধীরকে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ধ্যান শুরু করেছেন মোদী। পরবর্তী ৪৫ ঘণ্টা তিনি সেখানেই থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। এই সময় তিনি কেবল তরল খাবার খেতে চলেছেন। তাঁর ডায়েটে থাকবে ফলের রস, জুস, ডাবের জলের মতো তরল খাবার। এই সময় তিনি কারও সঙ্গে কথা বলবেন না। ওই জায়গা থেকে বারও হবেন না।

শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ মোদীর ধ্যানের প্রথম ছবি সামনে আসে। নিয়ম মোতাবেক ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে যাবতীয় রাজনৈতিক প্রচার-কর্মসূচি বাতিল করা হয় নিয়ম মোতাবেক। বিরোধীদের অভিযোগ, এই ৪৮ ঘণ্টাতেও যাতে ‘প্রচার’ চালানো যায় সেই জন্য নরেন্দ্র মোদী ‘কৌশলে’ ধ্যানে বসেছেন। এই নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ, নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন নরেন্দ্র মোদী।

Narendra Modi Meditation: দীর্ঘ ভোট প্রচার শেষ, বিবেকানন্দ রকে ধ্যানে বসলেন মোদী

যাতে কোনওভাবেই মোদীর এই ধ্যান নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে প্রচার না হয় সেই জন্য কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নাম না করে মোদীর ধ্যান নিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন। এই নিয়ে কমিশনে অভিযোগ জানাবেন, স্পষ্ট জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। ১ জুন ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ধ্যানে বসুন নরেন্দ্র মোদী, তার আগে নয়, দাবি বিরোধীদের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version