অভিষেকের ফলাফল নিয়ে খুশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে সেই বিষয়টি স্পষ্ট করেন তিনি। সেনাপতির কোন অস্ত্র ডায়মন্ড হারবার মডেলকে ডায়মন্ড হারবার মডেল গড়ে তুলল? রাজনৈতিক মহলের কথায়, ‘মানুষকে বুক দিয়ে আগলে রাখেন অভিষেক।’
ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে দলীয়ভাবে বার্ধক্য ভাতা চালু করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের বার্ধক্য ভাতা থেকে ‘বঞ্চিত’-দের মাসে হাজার টাকা করে দেওয়ার জন্য উদ্যোগী হন অভিষেক। এছাড়াও ‘এক ডাকে অভিষেক’-এর মতো উদ্যোগের ফলে সাংসদকে সহজেই নিজেদের আপদে বিপদে পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো সরকারি প্রকল্পও সবুজ ঝড় হওয়ার নেপথ্যে অন্যতম বড় কারণ।
এই কেন্দ্রে বিরোধীরা ‘দাঁত ফোটাতে পারেননি’। এমনকী, কে প্রার্থী হবেন? তা নিয়েও দীর্ঘ দড়ি টানাটানি চলেছে। বিজেপি ৪১টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার বেশ কয়েকদিন পর ডায়মন্ড হারবারে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। কিন্তু, অভিজিৎ দাস (ববি) জনপ্রিয়তার নিরিখে অভিষেকের থেকে শত যোজন পিছিয়ে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলেরই।
অন্যদিকে, আইএসএফ-এর তরফে নওশাদ সিদ্দিকি ডায়মন্ড হারবার থেকে লোকসভা ভোটে দাঁড়ানোর জন্য হুম্বিতম্বি করেছিলেন। কিন্তু, শেষ মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ‘দলের সিদ্ধান্ত’ বলে তিনিও লোকসভার ভোটযুদ্ধ থেকে সরে যান। শেষবেলায় মজনু লস্করকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেয় সিদিক্কির দল। কিন্তু, ভোট বাক্সেই স্পষ্ট যে এই প্রার্থীরা ছিটেফোঁটাও প্রভাব ফেলতে পারেননি। ২০১৯ সালে ৩ লাখ ২০ হাজার ভোটে ডায়মন্ড হারবারে জিতেছিলেন অভিষেক। এবার নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন তিনি। ডায়মন্ড হারবারজুড়ে সবুজ আবির।