টিভির পর্দার জনপ্রিয় মুখ তিনি। বাংলার মানুষের কাছে তিনি ‘দিদি নং ১’। সেই রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের সদ্য জয়ী প্রার্থী। বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়ে হুগলিতে ‘নম্বর ১’ হয়েছেন তিনি। অভিনেত্রী হওয়ার পাশাপাশি এখন তিনি জনপ্রতিনিধিও। সেক্ষেত্রে খুব স্বাভাবিকভাবেই বাড়তে চলেছে তাঁর ব্যস্ততা। এই অবস্থায় অনেকের মনেই প্রশ্ন, তাহলে কি আগামী দিনে নিজের সমস্ত ব্যস্ততা সামলে ‘দিদি নং ১’ অনুষ্ঠান চালিয়ে যেতে পারবেন রচনা? জনপ্রিয় ওই টিভি শো-এর মঞ্চে ফের কি তাঁকে দেখা যাবে? এর উত্তরও দিয়ে দিলেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সাংসদ নিজেই।সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে রচনা বলেন, ‘ব্যস্ত তো সবসময়ই ছিলাম, এখন আরও একটু ব্যস্ত হয়ে গেলাম।’ মজার ছলে তাঁর সংযোজন, ‘দিদি নং ১ না করলে হুগলির মানুষ আমাকে কেটে দেবে, ছিঁড়ে রেখে দেবে।’ আর রচনা যখন এমন কথা বলছেন, তখন তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মহলাদের সম্মতিসূচকভাবে ঘাড় নাড়িয়ে ‘একদম একদম’ বলতেও শোনা যায়।

প্রসঙ্গত, জনপ্রিয় টিভি শো ‘দিদি নং ১’-এর মাধ্যমে বাংলার মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী রচনার শো-তে অতিথি হিসেবে দেখা যায় তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। আবার সেই রচনাকেই হুগলিতে প্রার্থী করে পাঠায় তৃণমূল কংগ্রেস। ব্রিগেডের জনগর্জন সভায় রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখা যায় হুগলির মানুষের মধ্যে। এমনকী প্রচারে নামার পরে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানেই গিয়েছেন, সেখানেই তাঁকে দেখার জন্য, সেলফি তোলার জন্য উপচে পড়েছে মানুষের ভিড়।
Rachana Banerjee: ‘লকেটকে দই পাঠাব’, জয়ের পর পদ্ম প্রার্থীকে কী বার্তা রচনার?

এখানেই শেষ নয়, একটা সময় রচনাকে এও বলতে শোনা যায়, ‘যদি জয়ী হই, তাহলে জি বাংলাকে বলব হুগলির দিদিদের আগে ডাক। সবাইকে বলব আমাকে যদি দিদি নম্বর ওয়ান করতে চাও, হুগলি জেলার মানুষ, যারা আমাকে জিতিয়ে নিয়ে এসেছে, সেই হুগলি জেলার দিদিদের আগে ডাক। তারপরে অন্য দিদিরা আসবে।’ আর ফলাফলে দেখা গেল রচনাকেই হুগলিতে ‘নম্বর ১’ করেছে মানুষ। সেক্ষেত্রে তাঁর পূর্ব আশ্বাস অনুযায়ী হুগলির দিদিরা জনপ্রিয় ওই অনুষ্ঠানে আগে সুযোগ পবেন কি না, তা জানতেও উৎসুক কেউ কেউ। তবে সেসব তো ভবিষ্যৎ বলবে। কিন্তু আপাতত ‘দিদি নং ১’ শো-তে যে তিনিই থাকছেন তা একপ্রকার স্পষ্টই করে দিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version