ফলে ভোটের অনেক আগে থেকে যে স্কুলগুলিতে বাহিনী ঘাঁটি গেড়েছিল সেখানে এখনও তারা রয়ে গিয়েছেন। পোলেরহাট হাইস্কুল, কাঁঠালিয়া হাইস্কুল, কচুয়া হাইস্কুল, বামনঘাটা হাইস্কুল, হাটগাছা হরিদাস বিদ্যাপীঠ সবর্ত্র বাহিনী থাকায় ছেলেমেয়েদের পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছে। বহু হাইস্কুলের নীচের তলা দখল করেছে বাহিনী। ফলে পড়ুয়াদের দোতলা বা তিনতলার রুমে ক্লাস করতে হচ্ছে। প্রবল গরমে সেখানে হাঁসফাঁস করা পরিস্থিতির জন্য শিক্ষক পড়ুয়া কেউই ক্লাস করতে চাইছেন না।
আবার কচুয়া হাইস্কুলের মতো স্কুলে বাহিনী ও পড়ুয়াদের ঢোকার গেট একটাই। অভিযোগ, উঁচু ক্লাসের ছাত্রীরা যখন স্কুলে প্রবেশ করছেন তখন গেটের মুখেই স্নান করছেন বাহিনীর জওয়ানরা। অস্বস্তিতে পড়ছে ছাত্রীরা।
গরমের কথা ভেবে বুধবারই নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর। তাতে ‘মর্নিং স্কুল’ এর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে স্কুলগুলিকে। সেই পরামর্শ বা গাইডলাইন আবার মানতে চাইছেন না অনেকে। সকাল সকাল স্কুলে আসার চেয়ে বেলায় স্কুলে আসাই পছন্দ প্রধান শিক্ষকদের। এরই মাঝে ছাত্রছাত্রীরা যাতে গরমে অসুস্থ হয়ে না পড়ে সে জন্য তাঁদের বিনামূল্যে নুন-চিনি-লেবুর শরবত দিচ্ছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।
ভাঙড় ১ ব্লকের নারায়ণপুর হাইস্কুলের (ওল্ড সাইট) প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘তীব্র গরমে ছেলেমেয়েদের হাজিরা বেশ কম। তবুও যারা ক্লাস করতে আসছে তারা যাতে অসুস্থ হয়ে না পড়ে সে জন্য বারবার নুন-চিনি-লেবু মিশ্রিত ঠান্ডা জল দেওয়া হচ্ছে।’
