শুভজিতের খোঁজে দিঘা থানার পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে। নামানো হয় স্পিড বোর্ডও। দীর্ঘক্ষণ ধরে খোঁজাখুজি করা হয় তাকে। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত শুভজিতের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যেই পরিবারের সদস্যরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। দিঘা থাকার তরফে দুটি স্পিডবোট এবং নুলিয়াদের উদ্ধার কাজে লাগানো হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই চলছে তল্লাশি।
ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন শুভজিতের মা। তিনি জানান, তাঁর দুই ছেলেই সমুদ্রস্নানে নেমেছিল। কিন্তু, ছোট ছেলে অনেকটাই দূরে চলে যায় হঠাৎ করে। তা নজরে আসার পরেই তাঁকে উঠে আসতে বলা হয়। এদিকে সমুদ্রের পরিস্থিতিও সেই সময় প্রতিকূলে চলে যায়। শুভজিৎকে তলিয়ে যেতে দেখে সমুদ্রে ঝাঁপ দেয় তার দাদাও। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি।
পুলিশ সূত্রে খবর, যাবতীয় চেষ্টা চালানো হচ্ছে ওই স্কুলপড়ুয়ার উদ্ধারের জন্য। স্পিডবোট ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত ওই ছাত্রের কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। কান্নায় ভেঙে পড়েছে তাঁর পরিবার।
এদিকে দিঘার সমুদ্রে স্নান করতে নেমে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে সেই কারণে নুলিয়ারা থাকেন। এছাড়াও পর্যটকদের বারেবারে সতর্ক করা হয় যাতে বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। উল্লেখ্য, গত মে মাসের শেষের দিকে দিঘায় তলিয়ে যায় এক যুবক। প্রায় ১১ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
