Monsoon In South Bengal,৩ থেকে ৪ দিনে দক্ষিণবঙ্গে কি আদৌ প্রবেশ করবে বর্ষা? স্পষ্ট করল IMD – when will monsoon enter in south bengal where is imd prediction


বর্ষা ‘অনড়’? নিজের জায়গা থেকে সরে দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করতে নারাজ? উত্তরবঙ্গে যখন প্রবল দুর্যোগ, দক্ষিণবঙ্গ তখন ভ্যাপসা গরমে ভুগছে। উত্তরবঙ্গে চলতি বছর সময়ের আগেই বর্ষা প্রবেশ করেছে। কিন্তু, তার দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশের নাম নেই।দক্ষিণবঙ্গবাসী চাতক পাখির মতো বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করছে। একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠছে, দক্ষিণবঙ্গে কবে প্রবেশ করবে বর্ষা? বৃহস্পতিবার মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে দেশের কোন কোন জায়গায় আগামী ‘তিন থেকে চার দিনে’ দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করবে। কিন্তু, সেখানে দক্ষিণবঙ্গের কোনও উল্লেখ নেই।

ঠিক কী বলা হয়েছে IMD-র বুলেটিনে?

মৌসম ভবন জানিয়েছে, নবসারি (গুজরাট), জলগাঁও (মহারাষ্ট্র), অমরাবতী (মহারাষ্ট্র), চন্দ্রপুর (মহারাষ্ট্র), বিজাপুর (কর্নাটক), সুকমা (ছত্তিশগড়), মালকানগিরি (ওড়িশা), ভিজিয়ানগরম (অন্ধ্রপ্রদেশ) এবং ইসলামপুর (উত্তর দিনাজপুর)-এর উপর দিয়ে মৌসুমী অক্ষরেখা যেতে পারে।

মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, ওডিশা, অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলবর্তী এলাকা এবং উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামী তিন থেকে চার দিনে মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, দক্ষিণবঙ্গে কবে প্রবেশ করবে বর্ষা? এক আবহবিদ জানাচ্ছেন, শুক্রবার এই নিয়ে চিত্রটা অনেকটাই পরিষ্কার হবে। আবহবিদদের কথায়, ‘যে কোনও মুহূর্তে মতি বদল করতে পারে আবহাওয়া। সেক্ষেত্রে শুক্রবার এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব।’

এই বছর ৩১ মে উত্তরবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করেছে। অন্যান্য বছর তা ৫ জুন প্রবেশ করে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশের সময় ১০ জুন। কিন্তু, এই বছর এক্ষেত্রে বিস্তর বিলম্ব হচ্ছে। আবহবিদদের কথায়, উত্তর এবং দক্ষিণ দুই বঙ্গে বর্ষা প্রবেশের ক্ষেত্রে সাধারণ পাঁচ দিনের ব্যবধান থাকে। ২০২২ সালে অবশ্য এই ব্যবধান ছিল ১৫ দিন। এই বছর সেই রেকর্ড ভাঙতে পারে। উত্তরবঙ্গ এবং উত্তরপূর্বে সক্রিয় বর্ষা।

উল্লেখ্য, শনিবার পশ্চিমের পাঁচ জেলাতে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থাকতে পারে। এই জেলাগুলি হল- পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমান। দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। বেশ কয়েক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। রবিবার দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।

এদিকে কলকাতায় তাপমাত্রা এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা অস্বস্তি বাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। এদিন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৮৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৬৩ শতাংশ।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *