ঠিক কী বলা হয়েছে IMD-র বুলেটিনে?
মৌসম ভবন জানিয়েছে, নবসারি (গুজরাট), জলগাঁও (মহারাষ্ট্র), অমরাবতী (মহারাষ্ট্র), চন্দ্রপুর (মহারাষ্ট্র), বিজাপুর (কর্নাটক), সুকমা (ছত্তিশগড়), মালকানগিরি (ওড়িশা), ভিজিয়ানগরম (অন্ধ্রপ্রদেশ) এবং ইসলামপুর (উত্তর দিনাজপুর)-এর উপর দিয়ে মৌসুমী অক্ষরেখা যেতে পারে।
মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, ওডিশা, অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলবর্তী এলাকা এবং উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে আগামী তিন থেকে চার দিনে মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, দক্ষিণবঙ্গে কবে প্রবেশ করবে বর্ষা? এক আবহবিদ জানাচ্ছেন, শুক্রবার এই নিয়ে চিত্রটা অনেকটাই পরিষ্কার হবে। আবহবিদদের কথায়, ‘যে কোনও মুহূর্তে মতি বদল করতে পারে আবহাওয়া। সেক্ষেত্রে শুক্রবার এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব।’
এই বছর ৩১ মে উত্তরবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করেছে। অন্যান্য বছর তা ৫ জুন প্রবেশ করে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশের সময় ১০ জুন। কিন্তু, এই বছর এক্ষেত্রে বিস্তর বিলম্ব হচ্ছে। আবহবিদদের কথায়, উত্তর এবং দক্ষিণ দুই বঙ্গে বর্ষা প্রবেশের ক্ষেত্রে সাধারণ পাঁচ দিনের ব্যবধান থাকে। ২০২২ সালে অবশ্য এই ব্যবধান ছিল ১৫ দিন। এই বছর সেই রেকর্ড ভাঙতে পারে। উত্তরবঙ্গ এবং উত্তরপূর্বে সক্রিয় বর্ষা।
উল্লেখ্য, শনিবার পশ্চিমের পাঁচ জেলাতে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থাকতে পারে। এই জেলাগুলি হল- পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমান। দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। বেশ কয়েক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। রবিবার দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।
এদিকে কলকাতায় তাপমাত্রা এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা অস্বস্তি বাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। এদিন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৮৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৬৩ শতাংশ।
