ফাঁসিদেওয়ার দুর্ঘটনায় ট্রেনের পেছনের অংশের দুটি কামরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রাথমিক উদ্ধারকার্য সম্পন্ন করার পর যাত্রীদের নিয়ে ট্রেনের বাকি অংশটি রওনা দেয় শিয়ালদার উদ্দেশে। দুপুর প্রায় ১টার দিকেই ট্রেনটি ঘটনাস্থল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেটি সোমবার রাত বারোটা থেকে একটার মধ্যে শিয়ালদায় এসে পৌঁছবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। রাত হয়ে যাওয়ার কারণে দুর্ঘটনায় বিপর্যস্ত যাত্রীদের বাড়ি ফেরানোর জন্যেই এই ব্যবস্থা করা হল।
ইতিমধ্যে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। অন্যদিকে, এদিন বিকেলেই উত্তরবঙ্গে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যে আহত যাত্রীদের এনে রাখা হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। চিকিৎসার কী ব্যবস্থা করা হয়েছে, সে সম্বন্ধে খোঁজ নেন তিনি। হাতদের চিকিৎসার সুব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এমনকি, জুনিয়র ডাক্তাররা আহত রোগীদের জন্য অমানসিক পরিশ্রম করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে ফাঁসিদেওয়া এলাকায় দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয় ট্রেনটি। একটি মালগাড়ি এসে ধাক্কা মারার কারণে ট্রেনের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, নয়জনের মৃত্যু হয়েছে এই রেল দুর্ঘটনায়। ৩৫ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। বেশ কিছু আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিদের চিকিৎসা চলছে। একজনের অবস্থা আশংকাজনক বলেও জানা গিয়েছে। রেলের সিগন্যাল লক্ষ্য না করার জন্যেই এই দুর্ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে রেল।
