Police Letter To Kolkata Municipality To Increase Night Shelters In City


এই সময়: পেটের তাগিদে শহরে মানুষের ভিড় বেড়েই চলেছে। বাড়ছে আশ্রয়হীন মানুষের সংখ্যাও। বাধ্য হয়ে ফুটপাথেই রাত কাটাতে হয় অনেককে। বর্ষা, গরম, প্রবল শীত–সব ঋতুতেই চরম সমস্যায় পড়েন তাঁরা। এই সব মানুষের জন্যে কিছু নাইট শেল্টার রয়েছে পুরসভার। কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়। শহরে নাইট শেল্টার আরও বাড়ানো হোক, চাইছে কলকাতা পুলিশ।এ নিয়ে কলকাতা পুরসভাকে সম্প্রতি চিঠি দেওয়া হয়েছে লালবাজারের তরফে। পুলিশ সূত্রে খবর, শহরে নতুন করে অন্তত ২৫টি জায়গায় নাইট শেল্টার বানানোর আর্জি জানানো হয়েছে। যে জায়গাগুলিতে সবচেয়ে বেশি মানুষ ফুটপাথে থাকেন, সে-সব জায়গাতেই নাইট শেল্টার চাইছে লালবাজার। এই জায়গাগুলি হলো–শিয়ালদহ, হাতিবাগান, ডালহৌসি, গড়িয়াহাট, নিউ আলিপুর, নিউ মার্কেট, মৌলালি, শ্যামবাজার, কাশীপুর, চেতলা, ভবানীপুর, পাক সার্কাস, এন্টালি, ট্যাংরা এবং বেলেঘাটা।

বছর চারেক আগে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পুরসভা শহরের ফুটপাথে কতজন থাকেন, তা নিয়ে সমীক্ষা করেছিল। সমীক্ষার জন্যে শহরের ১৬টি বরোকে পাঁচটি জোনে ভাগ করা হয়েছিল। প্রথম সমীক্ষায় ফুটপাথে বাস করা মানুষের সংখ্যা দেখা গিয়েছিল ৬৪২৯ জন। শেষ সমীক্ষায় সেই সংখ্যাই বেড়ে দাঁড়ায় ৭২৭৬ জনে। বর্তমানে সংখ্যাটা ১০ হাজারের আশেপাশে বলেই দাবি পুলিশের।

অর্থাৎ, রাতের শহরে ফুটপাথবাসীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। কিন্তু বর্তমানে শহরে নাইট শেল্টার রয়েছে মোটে ৪৫টি। সব মিলিয়ে সেখানে থাকতে পারেন ৪২০০ জন। আশ্রয়হীনদের সুবিধার জন্যে এই শেল্টারগুলিতে লাইট, পাখা রয়েছে। এ রকম নাইট শেল্টারের সংখ্যা যে আরও বাড়ানো প্রয়োজন, মানছেন পুরকর্তারাও। কিন্তু জায়গার অভাব তাঁদের বড় মাথাব্যথা।

পুজোর আগেই ৩ ফুড জোন শহরে, সিদ্ধান্ত পুরসভার

জায়গার অভাব মেটাতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরকে তাদের হাতে থাকা ফাঁকা জমি পুরসভার হাতে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব সম্প্রতি দিয়েছেন পুরকর্তৃপক্ষ। রেল এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছেও জমি চাওয়া হয়েছে নাইট শেল্টারের জন্যে। মেয়র পারিষদ (বস্তি) স্বপন সমাদ্দার বলেন, ‘এটা ঠিক, শহরে নাইট শেল্টারের সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। জমি পেলেই নতুন নাইট শেল্টার তৈরির কাজ শুরু হবে।’ চলতি বছরে অন্তত ৫টি নতুন নাইট শেল্টার তৈরির টার্গেট রয়েছে বলে জানাচ্ছেন পুরকর্তারা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *