তাপমাত্রার পারদ কমেছে। কিন্তু, বৃষ্টি নিয়ে আক্ষেপ যেন থামছেই না কলকাতাবাসীর। কবে নামবে স্বস্তির বৃষ্টি? কবে দক্ষিণবঙ্গ সহ কলকাতায় বর্ষার প্রবেশ? এই প্রশ্নের জবাবে কিছুটা হলেও আশার কথা শোনাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে উত্তরবঙ্গের বাকি অংশ ও দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করবে মৌসুমী বায়ু, এমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?

শহরের তাপমাত্রা একধাক্কায় কমেছে। বুধবার শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হয়। বৃহস্পতিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। এদিন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৮৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ।

এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল থেকেই শহরের আকাশ আংশিক মেঘলা। বিক্ষিপ্তভাবে এদিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া?

দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত হলেও পুরোপুরি অস্বস্তি কাটেনি। এদিন কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব এবং পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতে রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। তবে কোথাও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই।

এর মধ্যে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। এছাড়াও পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবার সম্ভাবনা। তবে আপেক্ষিক আর্দ্রতার জন্য অস্বস্তি বাড়তে পারে।

কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া?

উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত চলার সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে রয়েছে প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। এছাড়াও দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে রয়েছে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস। উত্তর দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। সঙ্গে বজ্রবিদ্যুতের সতর্কতা।

বর্ষার আপডেট

এই বছর নির্ধারিত সময়ের আগে উত্তরবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করেছিল। কিন্তু, এরপর থেকে আর মৌসুমী বায়ু অগ্রসর হয়নি। আবহাওয়া দফতরের কথায়, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version