জানা গিয়েছে, বন বিভাগ গোপন সূত্রে এই গন্ডারের সিং পাচারের খবর পায়। এরপরেই পাচারকারীকে হাতেনাতে ধরার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়। কড়া নজরদারি চালানো হয় ওই ব্যক্তির গতি প্রকৃতির উপর। তারপর হাতেনাতে পাকড়াও করার জন্য চালানো হয় তল্লাশিও। এই গন্ডারের সিং কোথায় পাচার করা হচ্ছিল? কে বা ক্রেতা? উঠে আসছে একাধিক প্রশ্ন।
কী ভাবে চলত এই পাচার চক্র? নেপথ্যে কি কোনও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ রয়েছে? সেই যাবতীয় বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, পাচারকারীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আবেদন করা হবে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও চক্র কাজ করছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে।
উল্লেখ্য, পাচার যাতে বন্ধ হয় সেই কারণে শহরের জঙ্গলগুলিতে কড়া নজরদারি চালানো হয়। বন দফতরের তরফেও একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় চালানো হয় সিসিটিভির নজরদারিও। যার সুফলও পাওয়া যাচ্ছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। উল্লেখ্য, বিদেশের বাজারে গন্ডারের সিং চড়া দামে বিক্রি হয়। পাচারকারীদের ঠেকাতে জায়গায় জায়গায় চেকিং, বন দফতরের তরফে বিশেষ নজরদারিও চালানো হয়ে থাকে।
এই ঘটনা সামনে আসার পর নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত? নেপথ্যে কোনও চক্র কাজ করছে কিনা? সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।
