ভারত থেকে নেপালে পাচার করার পরিকল্পনা কষেছিল পাচারকারীরা! কিন্তু, তার আগেই শিলিগুড়ি থেকে গন্ডারের শিং সহ গ্রেফতার হল পাচারকারী। শনিবার রাতে শিলিগুড়ি মহকুমার নকশালবাড়ির সাতভাইয়া টোলপ্লাজার কাছ থেকে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তল্লাশি চালাতেই ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয় একটি গন্ডারের শিং। গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এস‌এসবি ৪১ ব্যাটেলিয়ন ও টুকরিয়াঝাড় বন বিভাগের তরফে যৌথ উদ্যোগে অভিযান চালানো হয়।ধৃতের থেকে উদ্ধার হয় ১.২৫ কেজি ওজনের একটি গন্ডারের সিং। জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তির নাম অজিত কুমার সিং। তিনি মণিপুরের বাসিন্দা। সশস্ত্র সীমা বল থেকে খবর পেয়ে যৌথভাবে এই অভিযান মিলেছে সাফল্য। উদ্ধার করা গন্ডারের সিং পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে জুলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়াতে। এই ঘটনায় আরও আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। তাদের বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, বন বিভাগ গোপন সূত্রে এই গন্ডারের সিং পাচারের খবর পায়। এরপরেই পাচারকারীকে হাতেনাতে ধরার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়। কড়া নজরদারি চালানো হয় ওই ব্যক্তির গতি প্রকৃতির উপর। তারপর হাতেনাতে পাকড়াও করার জন্য চালানো হয় তল্লাশিও। এই গন্ডারের সিং কোথায় পাচার করা হচ্ছিল? কে বা ক্রেতা? উঠে আসছে একাধিক প্রশ্ন।

কী ভাবে চলত এই পাচার চক্র? নেপথ্যে কি কোনও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ রয়েছে? সেই যাবতীয় বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, পাচারকারীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আবেদন করা হবে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও চক্র কাজ করছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে।

উল্লেখ্য, পাচার যাতে বন্ধ হয় সেই কারণে শহরের জঙ্গলগুলিতে কড়া নজরদারি চালানো হয়। বন দফতরের তরফেও একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় চালানো হয় সিসিটিভির নজরদারিও। যার সুফলও পাওয়া যাচ্ছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। উল্লেখ্য, বিদেশের বাজারে গন্ডারের সিং চড়া দামে বিক্রি হয়। পাচারকারীদের ঠেকাতে জায়গায় জায়গায় চেকিং, বন দফতরের তরফে বিশেষ নজরদারিও চালানো হয়ে থাকে।

এই ঘটনা সামনে আসার পর নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত? নেপথ্যে কোনও চক্র কাজ করছে কিনা? সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version